পোষ্য কুকুরকে পেতে মরিয়া, প্রাক্তন বন্ধুর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তৃণমূলের মহুয়া
আজ তক | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পোষ্য রটওয়াইলার প্রজাতির কুকুরকে নিজের কাছে পেতে এবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। হেনরি নামের কুকুরটি কার কাছে থাকবে, তা নিয়ে মহুয়া এবং তাঁর প্রাক্তন বন্ধু জয় অনন্ত দেহাদোরাইয়ের মধ্যে আইনি লড়াই দীর্ঘদিনের। প্রতি মাসে ১০ দিন পোষ্যকে নিজের কাছে রাখতে চেয়েছিলেন মহুয়া। তবে দিল্লির সাকেত কোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মহুয়া।
বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি জয় অনন্ত দেহাদোরাইকে নোটিশ জারি করে জবাব তলব করেছেন। পরবর্তী শুনানি ২৯ এপ্রিল। এদিন হাইকোর্টে নিজে হাজির হয়ে মহুয়ার আবেদন খারিজ করার আর্জি জানান।
মহুয়া তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন, ট্রায়াল কোর্টের নির্দেশ ত্রুটিপূর্ণ। হেনরির ভালোবাসা ও যত্ন প্রয়োজন। তাঁর বাসভবনেই থাকত সে। তবে সাংসদ হওয়ার জন্য কাজে বাইরে থাকলে তবেই পোষ্যকে প্রাক্তন বন্ধুর কাছে রেখে যেতেন। তাঁর আরও আবেদন, সাকেত কোর্টের নির্দেশে কোথাও তাঁর প্রাক্তন বন্ধুকে কুকুরটির মালিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। বরং অর্থপ্রদানকেই মালিকানার প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়েছে। যা সঠিক নয়। তাঁর দাবি, কেনেল মালিক ও কেনেল ক্লাবের শংসাপত্রসহ বিভিন্ন নথি প্রমাণ করে পোষ্যটি তাঁর কাছেই ছিল।
উল্লেখ্য, এর আগে জয় অনন্ত অভিযোগ করেছিলেন, মহুয়া মৈত্র এক ব্যবসায়ীর থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে তা নিয়ে লোকসভা স্পিকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তের পর ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। পরবর্তীকালে সাংসদ জয় অনন্ত ও নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এখনও বিচারাধীন।