নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডে ডিএনএ পরীক্ষায় ১৮ জনের দেহ শনাক্ত
দৈনিক স্টেটসম্যান | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গত ২৬ জানুয়ারি ভোররাতে আনন্দপুর সংলগ্ন নাজিরাবাদ এলাকায় পরপর দু’টি গুদামে আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতায় গুদাম দু’টি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনায় ২৭ জন নিখোঁজ থাকার অভিযোগ দায়ের হয়। দমকলের দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উদ্ধার হওয়া দেহ ও দেহাংশ এতটাই পুড়ে গিয়েছিল যে, তা দেখে কারও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। সেই পরিস্থিতিতেই প্রশাসন ডিএনএ ম্যাপিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
অগ্নিকাণ্ডের রাতে গুদামে ঠিক কত জন উপস্থিত ছিলেন, তা নিয়েও ধোঁয়াশা ছিল। নিখোঁজ বলে যাঁদের নাম ওঠে, তাঁরা প্রত্যেকেই ওই রাতে সেখানে ছিলেন কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। তদন্তকারী মহলের মতে, ডিএনএ রিপোর্টের মাধ্যমে এই অনিশ্চয়তা অনেকটাই দূর হবে।
এই ঘটনায় ডেকরেটার্স সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাস এবং ‘ওয়াও মোমো’ সংস্থার তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গুদামে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ উঠে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।