পদবি-বিভ্রাটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বাদ! যুবসাথীতে ভাতা মিলবে তো? সংশয়ে এমএ পাস তরুণী...
২৪ ঘন্টা | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পদবি-বিভ্রাটে মেলেনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! এবার যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন করলেন হুগলির চুঁচুড়ার এক গৃহবধূ। বললেন, 'এমএ পাস করে বসে আছি। পরীক্ষা দিয়েছি, কিন্তু চাকরি হয়নি। ফর্ম ফিলাপ করতে খরচ আছে। বছরে আঠেরো হাজার টাকা, কিছুটা তো চোখে দেখা যাবে'। SIR-র ছায়া এবার রাজ্য় সরকারের লক্ষ্মী ভাণ্ডারে প্রকল্পেও।
বাঙালি মেয়ে পদবি বদলে যায় বিয়ের পর। SIR-র শুনানিতে এমন অনেক মহিলাকে ডাকা হয়েছিল, বিয়ের পর যাঁদের পদবি বদলে গিয়েছে। যা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। পদবি বদলের কারণে এবার নাকি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন গ্রাহ্য হয়নি!
হুগলি চুঁচুড়ায় বাসিন্দার তানিয়া মণ্ডল। মহসিন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির পদবি দাস। ফলে বিয়ের পর তানিয়া মণ্ডল হয়ে গিয়েছে তানিয়া মণ্ডল দাস। কিন্তু তাতে ঘটেছে বিপত্তি। তানিয়ার দাবি, ভোটার কার্ডে তাঁর পদবী মণ্ডলই। কিন্তু আধার, প্যানকার্ড ও ব্যাংকের পাসবইয়ে দাস জুড়ে যাওয়ার আবেদন করেও পাননি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। পদবি বিভ্রাটে যুবসাথী প্রকল্পের কি ভাতা পাবেন? সংশয়ে ওই গৃহবধূ। এ রাজ্যে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান মহিলারা। কিন্তু যুবসাথীর মেয়াদ ২১ থেকে ৪০ বছর। ওই গৃহবধূর মতে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেই ভালো হত।
চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ বলেন, লক্ষ লক্ষ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। তিনি পাবেন না কেন? কাগজপত্র যা ত্রুটি আছে, তা সংশোধন করে নেওয়া উচিত। আমাদের কাছে এলে নিশ্চয়ই সহযোগিতা করব'।