জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজ্য জুড়ে ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদন শুরু হতেই স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পগুলিতে ভিড় বাড়ছে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের। লক্ষ্য—মাসে ১৫০০ টাকার ভাতা পেতে নির্ভুল ভাবে নাম নথিভুক্ত করা। কিন্তু আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতেই একাধিক জটিলতার অভিযোগ সামনে আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে।
কোথায় সমস্যা হচ্ছে?
আবেদনকারীদের একাংশের অভিযোগ—
১. ফর্মে ক্যাম্পের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়ার জায়গা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা দিচ্ছে না পঞ্চায়েত বা পুরসভা
২. ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও হাতে মিলছে না রিসিপ্টের কপি
৩. কোথাও বা হাজার রিসিপ্টের স্তূপ থেকে নিজের কপি নিজেকেই খুঁজে নিতে বলা হচ্ছে।
৪. ফলে স্বাভাবিক ভাবেই দুশ্চিন্তা—সব নিয়ম মেনে আবেদন করার পরেও যদি রিসিপ্ট না মেলে, তা হলে কি ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে?
রিসিপ্ট না থাকলে কি টাকা মিলবে না?
এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের তরফে এখনও আলাদা করে কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। তবে বিভিন্ন রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে উপস্থিত আধিকারিকদের দাবি—
১. আবেদনপত্র সঠিক ভাবে জমা পড়লে এবং প্রয়োজনীয় যাচাইকরণ সম্পন্ন হলেই তা সরকারি দপ্তরে পাঠানো হয়।
২. সে ক্ষেত্রে আবেদনকারীর হাতে রিসিপ্ট না থাকলেও ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
আবেদন শুরু- ১৫ ফেব্রুয়ারি |
আবেদনের শেষ দিন- ২৬ ফেব্রুয়ারি |
প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, যাতে রাজ্যের সমস্ত যোগ্য বেকার যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন, সে জন্য আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোও হতে পারে।
আবেদনকারীদের সাধারণ প্রশ্ন
প্রশ্ন: রিসিপ্ট না পেলে কি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে?
ক্যাম্প-স্তরের আধিকারিকদের দাবি, আবেদন সঠিক ভাবে জমা পড়লে রিসিপ্ট না থাকলেও ভাতা পেতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
প্রশ্ন: রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকলে কী হবে?
আবেদন যাচাইকরণের সময় সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়। তাই নম্বর না থাকলেও আবেদন গ্রহণ করা হতে পারে।
প্রশ্ন: আবেদন করার সময়সীমা কি বাড়তে পারে?
প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে—প্রয়োজনে সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।
এখনই কী করবেন?
যাঁরা ইতোমধ্যেই আবেদন করেছেন বা করতে চলেছেন, তাঁদের জন্য কিছু জরুরি পরামর্শ—
১. ফর্ম জমা দেওয়ার সময় ক্যাম্পের নাম ও লোকেশন নোট করে রাখুন
২. সম্ভব হলে জমা দেওয়ার পর ফর্মের ছবি তুলে রাখুন
৩. রিসিপ্ট না পেলে ক্যাম্পে যোগাযোগ করে আবেদনের স্ট্যাটাস জেনে নিন
৪. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য ও অন্যান্য নথি সঠিক ভাবে জমা হয়েছে কি না যাচাই করুন
৫. আবেদনপত্র জমা দেওয়ার তারিখ লিখে রাখুন ভবিষ্যতের জন্য
প্রয়োজনে পরবর্তী যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় এই তথ্যগুলি কাজে লাগতে পারে।