গোষ্ঠী কোন্দলে লিপ্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ কবে, প্রশ্ন বিজেপির একাংশের
বর্তমান | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুরে অনুন্নয়ন নিয়ে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করল বিজেপির প্রথম সারির নেতারা। কিন্তু বসে যাওয়া ও গোষ্ঠী কোন্দলে মদত দেওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট কবে বেরবে? একান্ত আলাপচারিতায় এমনই প্রশ্ন তুলছে বিজেপির একাংশ। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার খড়্গপুর শহরের কৌশল্যা এলাকায় জেলা বিজেপির কার্যালয়ে ৬টি বিধানসভার অনুন্নয়ন নিয়ে চার্জশিট প্রকাশ করা হয়। চার্জশিট প্রকাশের অনুষ্ঠানে মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার নেতারা ছাড়াও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপি নেতারা জানালেন, এই চার্জশিট লিফলেট আকারে ছাপানো হয়েছে। মেদিনীপুর, খড়্গপুর ছাড়াও দাঁতন, কেশিয়াড়ি, এগরা সহ ৬টি বিধানসভায় বাড়ি বাড়ি লিফলেট পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৫ বছরে অনেক কাজ করতে পারেনি তৃণমূল সরকার। যা চার্জশিটে তুলে ধরা হয়েছে।
এদিন রাহুল সিনহা বলেন, তৃণমূল ভোট চাইতে এলেই এই চার্জশিট তুলে ধরবেন সাধারণ মানুষ। এই ৬টি বিধানসভা এলাকাতেই বালি চুরি করেছে তৃণমূল। এর ফলে ব্যাপক হারে নদী ভাঙনের সমস্যা দেখা গিয়েছে। মানুষ তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দেবে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট থেকে একটিও নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। যার অন্যতম কারণ, নীচুতলায় দুর্বল সংগঠন ও গোষ্ঠী কোন্দল। তবে বারংবার হারলেও নির্বাচন এলেই নিত্যনতুন পদ্ধতিতে ভোট প্রচারে নামে গেরুয়া বাহিনী। সেই রীতি বিধানসভা ভোটের আগে ফের শুরু হল। এক বিজেপি নেতার কথায়, আমাদের চেয়ে সিপিএমের সংগঠন শক্তিশালী। ওরা ভোট না পেলেও কর্মীরা একজোট হয়ে থাকে। আমাদের দলীয় কর্মসূচি ঢাকঢোল পিটিয়ে শুরু হয় ঠিকই, কিন্তু কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা নেই। এছাড়া গোষ্ঠী কোন্দল ও বসে যাওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে দল কোনো পদক্ষেপ করছে না। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, এসআইআর নিয়ে মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছে। তাই সাধারণ মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করে দিয়েছে।