• স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সুযোগ বাড়াতে পরীক্ষাগার, নির্মাণে বরাদ্দ প্রায় ২ কোটি,হুগলি জেলার তালিকায় একাধিক বালিকা বিদ্যালয়
    বর্তমান | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আধুনিক শিক্ষার পরিধিকে আরও প্রসারিত করতে হুগলির বেশ কিছু মাধ্যমিক স্কুলে গবেষণাগার তৈরি হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের শিক্ষাদপ্তর ওই স্কুলগুলিকে বিজ্ঞান গবেষণাগার তৈরি করার কথা জানিয়েছে। সরকারি অনুমোদন ও টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলার ১৫টি স্কুলকে প্রথম দফায় গবেষণাগার তৈরির জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে একাধিক গালর্স স্কুলও রয়েছে। হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা স্থায়ী সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্কুলকে শিক্ষাদপ্তর প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা দেবে। খুব দ্রুত বিজ্ঞান পরীক্ষাগার তৈরির জন্য স্কুলগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় বলেন, জেলায় শিক্ষার উন্নয়নে একলপ্তে প্রায় ২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা বড়ো ঘটনা। আমাদের সরকার বরাবর শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছে। সেই নিরিখে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজা হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন স্কুলকে বাড়তি ক্লাসরুম গড়ার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এবার পরীক্ষাগার তৈরি হচ্ছে। অর্থাৎ বলা যায়, শিক্ষাক্ষেত্রকে ঢেলে সাজা হচ্ছে। হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া বলেন, ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিকে কাজে নামার বার্তা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, পড়ুয়ারা দ্রুত ওই পরীক্ষাগার ব্যবহারের সুযোগ পাক। স্কুলগুলিকে নির্মাণকাজের পরামর্শ আমরা দেব। তাদের সব রকম সহযোগিতা করা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে ওই পরীক্ষাগারগুলি বড়ো ভূমিকা পালন করবে। হুগলি জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার দেবাশিস বসু বলেন, আধুনিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের পরীক্ষাগারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান শাখায় পড়াশোনা করার আগ্রহ আরও বেড়েছে। সেক্ষেত্রে গবেষণাগারের অভাব স্কুলগুলিকে সমস্যায় ফেলত। রাজ্য সরকারের এই নতুন পদক্ষেপ স্কুলগুলিকে বাড়তি সুবিধা দেবে। ওই তালিকায় একাধিক গার্লস স্কুলও রয়েছে। মনে রাখতে হবে, মেয়েদের শিক্ষার আঙিনায় আরও সুযোগ দিতে কন্যাশ্রীর মতো আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসনীয় প্রকল্প রাজ্যে চলছে।

    ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের গোড়ায় হুগলি জেলার ১৫টি স্কুলে বিজ্ঞান পরীক্ষাগার তৈরির জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়। তারপরেই স্কুলে স্কুলে সেই টাকা দেওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। ওই তালিকায় জনাই ট্রেনিং হাইস্কুলের মতো শতাব্দী প্রাচীন স্কুল যেমন আছে, তেমনই আছে বেগমপুরের মতো প্রান্তিক এলাকার গার্লস স্কুল। আবার সিঙ্গুরের নসিবপুরের মতো এলাকার হাইস্কুলও আছে। অর্থাৎ শুধু টাকা বরাদ্দ করাই নয়, পরিকল্পনামাফিক স্কুলও নির্বাচন করা হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)