নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বুথ বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল। তাই বৃহস্পতিবার বিহার থেকে শিলিগুড়িতে এল আরও ৪৭৮০টি ইভিএম। এদিন তা চাহিদা অনুসারে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভোটের জন্য শিলিগুড়ি সহ দার্জিলিং জেলা পুলিশ অফিসার ও প্রশাসনের আধিকারিকদের ‘ডেটাবেস’ সংগ্রহ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসন সূত্রের খবর, নির্বাচনে স্বচ্ছতা বাজায় রাখতে কমিশন এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিকে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ওসি পদমর্যাদার ৩৬ জনের বদলির নির্দেশ জারি করেছে। দার্জিলিং জেলায় বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা পাঁচটি। প্রশাসন সূত্রের খবর, এবার ১২০০ ভোটার পিছু বুথ তৈরি করা হতে পারে। তা হলে বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে বাড়বে বুথের সংখ্যা। সেজন্যই জেলায় জেলায় অতিরিক্ত ইভিএম পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এদিন বিহার থেকে শিলিগুড়ির রিজিওনাল গোডাউনে এসেছে ৪৭৮০টি ইভিএম। এরমধ্যে শিলিগুড়ির জন্যই এসেছে ২৩৫০টি ইভিএম। এতে ব্যালট ইউনিট (বিইউ) ৮৫০টি এবং কন্ট্রোল ইউনিট (সিইউ) ও ভোটার ভেরিফাইড পেপার অডিট ট্রেইল (ভিভিপিএটি) ৭৫০টি করে এসেছে।এর বাইরে জলপাইগুড়ি জেলার জন্য সিইউ ও ভিভিপিএটি ৭৫০টি করে, আলিপুরদুয়ারে ভিভিটিএটি ৫৭০টি, উত্তর দিনাজপুরে বিইউ ১০০টি এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের ভিভিটিএটি ২৬০টি এসেছে। শিলিগুড়ির সুভাষপল্লির গোডাউন থেকে সংশ্লিষ্ট ইভিএমগুলি ওই জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে।প্রশাসনের এক আধিাকরিক জানান, ২৭ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইভিএমের ফাস্ট লেবেল চেকিং করা হয়। সেই সময় গোডাউনে মজুত ছিল ৭১২৬টি ইভিএম। যার মধ্যে ৫৪৫টিতে ত্রুটি ধরা পড়েছিল। সেগুলি মেরামত করতে হায়দরাবাদে পাঠানো হয়েছে। এবার কমিশন শিলিগুড়ির জন্য আরও ২৩৫০টি ইভিএম পাঠিয়েছে। অন্যদিকে, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও পর্যন্ত প্রশাসনের আধিকারিকদের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসন সূত্রের খবর, ওই আধিকারিকদের নাম, ঠিকানা, পোস্টিং হিস্টিরি, গত বিধানসভা নির্বাচনে এখানে কর্মরত ছিলেন কিনা, এই জেলায় কত বছর ধরে কাজ করছেন প্রভৃতি তথ্য সংগ্রহ করছে। একই ভাবে দার্জিলিং জেলা পুলিশ এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের অফিসাদেরও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এক অফিসার বলেন, এই জেলায় গত বিধানসভা নির্বাচনে কাজ করা কোনো অফিসার নেই। তা হলেও কমিশন সমস্ত আধিকারিকাদের তথ্য সংগ্রহ করছে। দার্জিলিং জেলা পুলিশ ও শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের এক অফিসার বলেন, ইতিমধ্যে অফিসারদের তথ্য কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বেশকিছু অফিসারের বদলিও করা হয়েছে।