• ‘ভারতের সাহিত্যভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন’, শংকরের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মোদির
    প্রতিদিন | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • বাংলার সাহিত্য জগতে আজ বড় শোকের দিন। মাতৃভাষা চর্চার জগৎ থেকে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছেন সাহিত্যিক শংকর তথা মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। তাঁর প্রয়াণে শুধু সাহিত্য মহলে নয়, রাজনৈতিক মহলেও শোকের ছায়া। এমন দিনে প্রবাদপ্রতিম বাঙালি সাহিত্যিকের প্রয়াণে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার রাতে বাংলায় এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘তাঁর অবিস্মরণীয় সৃষ্টি, বিভিন্ন প্রজন্মের পাঠককে প্রভাবিত এবং ভারতের সাহিত্যভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।’

    দীর্ঘদিন ধরে বয়সজনিত অসুস্থতায় বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৯২ বছরের শংকর। অসুখের সঙ্গে লড়ে শেষে হার মানলেন। শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত শতকের তিনের দশকে, ১৯৩৩ সালে বনগাঁয় জন্ম শংকরের। তবে ছোট বয়সেই সপরিবারে চলে আসেন হাওড়ায়। কিশোর বয়সে বাবাকে হারিয়ে শুরু হয় তাঁর জীবন সংগ্রাম। সংসার চালাতে কখনও কেরানির কাজ যেমন করেছেন, করেছেন হকারিও। শংকরের বিখ্যাত সৃষ্টিকর্মের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ‘কত অজানা রে’, ‘চৌরঙ্গী’, ‘সীমাবদ্ধ’, ‘জন অরণ্য’। সেসবই বাংলা সাহিত্যের চিরকালীন মণিমুক্তো।

    এহেন সমুদ্রসম খ্যাতিমান সাহিত্যিকের প্রয়াণের খবর পেয়েই একের পর এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার – সকলে এক্স হ্যান্ডল পোস্টে সমবেদনা জানিয়েছেন। দিনশেষে এল দেশের প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা।

    এক্স হ্যান্ডলে বাংলায় পোস্ট করে লিখেছেন, ‘শ্রী মণি শঙ্কর মুখোপাধ্যায়-যিনি শংকর নামে বিখ্যাত- এর প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে তিনি মানুষের জীবনকে অসাধারণ সংবেদনশীলতা ও অন্তর্দৃষ্টির সঙ্গে তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন। তাঁর অবিস্মরণীয় সৃষ্টি, বিভিন্ন প্রজন্মের পাঠককে প্রভাবিত এবং ভারতের সাহিত্যভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।তাঁর পরিবার, বন্ধু ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। ওঁ শান্তি।’
  • Link to this news (প্রতিদিন)