• 'অনেকে ভেবেছিল জেলেই মরে যাব, কিন্তু আমি অমলিন! দল পাশে থাকল কিনা বড় কথা নয়...', বিস্ফোরক পার্থ
    ২৪ ঘন্টা | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অয়ন ঘোষাল: ভোটমুখী বাংলায় জনসংযোগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জেল মুক্তির পর প্রথমবার বেহালা পশ্চিম বিধানসভা ক্ষেত্রে প্রবেশ করলেন তিনি। শেষ বার এসেছিলেন মন্ত্রী ও বিধায়ক হিসেবে। আজ শুধুই বিধায়ক হিসেবে প্রবেশ করলেন বেহালা পশ্চিম এলাকায়। 

    জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিনিধিকে তিনি বলেন, 'আমার প্রতিশ্রুতি মতো শারীরিক কিছু অসুবিধা সত্ত্বেও বেহালা পশ্চিমের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সেখানে যাচ্ছি। জেলবন্দী অবস্থায় অনেক প্রিয় মানুষের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তার মধ্যে অন্যতম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। যাকে আমি বিধানসভায় বারবার বিরোধী দলনেতা হিসেবে প্রশ্ন বানে বিদ্ধ করেছি একসময়।'

    তিনি আরও বলেন, 'রাজ্যে ভাতা এই প্রথম নয়। দেশেও প্রথম নয়। নানা দল নানা সময় নানা ভাবে মানুষকে ভাতা দিয়েছে। তবে কর্মসংস্থান সবথেকে আগে। ২ কোটি লোকের চাকরি দেব বললাম। ২ জনকেও দিতে পারলাম না। এটা মেনে নেওয়া যায়না। কর্ম সংস্থান আমাদের প্রধান ইস্যু হওয়া উচিত।' এছাড়াও পার্থ বলেন, 'সময় এলে যারা আমাকে কালিমালিপ্ত করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আইনি বিষয়। তাই খুব বেশি কিছু বলতে চাইছি না। শিক্ষা দফতর একটি স্বশাসিত সংস্থা। পরে ভাবখানা এমন হল যেন শাসকদলের লোক অন্য দলের লোকের বিরুদ্ধে নেমে পড়েছে। আপনারা এত দুর্নীতি দুর্নীতি করলেন। যাদের বসালেন তারা কি দুর্নীতি মুক্ত? আমি জোর গলায় বলছি কোনরকম অনিয়ম বেনিয়মের সঙ্গে আমি যুক্ত নই। কোনোদিন ছিলাম না।' 

    'সমাজে প্রতিষ্ঠিত কাউকে যদি কেউ কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে সেই কালি ধুয়ে যাবে। অমলিন থেকে যাব আমি। আমি অকপটে এই কথা বলছি। আমার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক জীবনে কোনোদিন অসদুপায় অবলম্বন করিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের প্রতি আমার অসীম আস্থা। দল পাশে থাকল কিনা বড় কথা নয়। আমি তো আছি। আমি বেহালা পশ্চিমের মানুষ আমাকে পরপর ৫ বার বিধানসভায় পাঠিয়েছিল আমি আজ সেই মানুষের পাশে যাব। গবদেবতার কাছে যাব। আমার মনোভাব ব্যক্ত করতে যাব। অনেকে ভেবেছিল আমি জেলেই মরে যাবো। আর জীবন্ত বেরোব না। মানুষের ভালোবাসা আমাকে সুস্থ করে তুলেছে।'

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)