• BJP ছেড়ে তৃণমূলে 'ঘরওয়াপসি' প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দুর, ভোটের মুখে বসিরহাটে বড় বদল
    আজ তক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • Dipendu Biswas: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই ফের দল বদল। 'ঘরওয়াপসি' প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসের। ভোটের মুখে বসিরহাটে তৃণমূল কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার তথা প্রাক্তন বিধায়ক। শনিবার বসিরহাট জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। বিজেপি অধ্যায় শেষ করে আবারও তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরলেন প্রাক্তন ফুটবলার।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বসিরহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই 'ঘরওয়াপসি' তৃণমূলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। বিশেষ করে ভোটের আগে এই যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    তৃণমূল থেকে বিজেপি, আবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন
    দীপেন্দুর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল তৃণমূলের হাত ধরেই। ২০১৪ সালে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়েছিলেন। যদিও সেই নির্বাচনে জিততে পারেননি। পরে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হন। 

    ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন দীপেন্দু। বিজেপির টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে লড়লেও জয় পাননি। নির্বাচনে হারের পর থেকেই ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর।

    পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। অবশেষে বসিরহাট জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিয়ে পুরনো দলেই ফিরলেন।

    ফুটবল মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান
    দীপেন্দু বিশ্বাস ভারতীয় ফুটবলে বেশ পরিচিত মুখ। মোহনবাগানের হয়ে ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেছেন। এরপর ২০০৭ থেকে ২০০৮ সাল ইস্টবেঙ্গলের হয়েও খেলেন। পরে ২০১২ সালে আবারও মোহনবাগানে ফিরে আসেন।

    শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, প্রশাসনিক ভূমিকাতেও নজর কেড়েছেন দীপেন্দু। ২০২০ সালের জুলাইতে  মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল সচিব হন। ক্লাবের ১২৯ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোনও প্রাক্তন ফুটবলার হিসেবে এই দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। 

    বসিরহাটের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ
    বসিরহাট দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সেখানে প্রাক্তন বিধায়কের এই প্রত্যাবর্তন স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।  
  • Link to this news (আজ তক)