বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয় প্রসন্নের। ওই দিন সে জানিয়েছিল, খুব শীঘ্রই বাড়ি ফিরবে। কিন্তু পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার সকাল থেকে তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি। যা নিয়ে ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছিল পরিবারের। বারবার ফোন করেও কোনও সাড়া মেলেনি। এর মধ্যে ঠিকাদার সংস্থা ফোনে পরিবারকে জানায়, ঘুমন্ত অবস্থায় প্রসন্নর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, প্রসন্নকে খুন করা হয়েছে। তাদের দাবি, প্রসন্নের শরীরে একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল তা জানতে ঘটনার তদন্তের দাবি তুলেছে মৃত শ্রমিকের পরিবার।
খবর পেয়েই মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারকে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উদ্যোগে প্রসন্নর মরদেহ দ্রুত বাড়িতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রসন্নের পরিবারকে আইনি সহায়তা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক।
বাড়িতে রয়েছে স্ত্রী এবং দুই ছেলে। বড় ছেলে এবার মাধ্যমিক দিয়েছে। ছোট ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র। অভাবের সংসারে বাড়তি রোজগারের আসায় তাদের রেখেই ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারি মাসে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন প্রসন্ন।