বিধান সরকার: এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ এখনও হয়নি, ভোটের দিনক্ষণও ঘোষণা হয়নি। আগামী মাস থেকেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ১ মার্চ রাজ্যে আসবে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকী বাহিনী আসবে ১০ মার্চ। এনিয়ে এবার কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা নিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৪৮০ কোম্পানি কেন, ১৪৮০ কোম্পানি দিক না। ওদের কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে, আমাদের সঙ্গে ১০ কোটি মানুষ আছে। ভোটটা তো মানুষ দেবে। কোম্পানির লোকজন দেবে না।
কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসাপার পাশাপাশি সিপিএম নেতা প্রতীক উর রহমানের দলত্যাগ করে তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়েও মন্তব্য করেন কল্যাণ। প্রসঙ্গত, প্রতীক উর এর দলত্যাগের দায় গিয়ে পড়েছে রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের উপরে। খোদ প্রতীক উর বলেছেন, রাজ্য সম্পাদক দলটিকে খাদের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
ওই প্রসঙ্গে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহম্মদ সেলিম সিপিএম পার্টিটাকে নষ্ট করেছে। ওর মত ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানুষ আমি দেখিনি। সিপিএম এর অনেক মানুষকে দেখেছি কিন্তু ওর মত অহংকারী দেখিনি। সেলিমের মত দাম্ভিক লোক যতদিন থাকবে ততদিন সিপিএমের আরো অবক্ষয় হবে।
সিপিএমের তরুণ প্রজন্মের নেতা মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে কল্যাণ বলেন, মীনাক্ষী উত্তরপাড়ায় দাঁড়ালে হারিয়ে ভূত করে ছেড়ে দেব। সেলিমের প্রায়োরিটি লেভেলটা হচ্ছে মীনাক্ষী আর কেউ নয়। সেই কারণে সিপিএমের অনেক তরুণ নেতা-নেত্রীরা মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে। প্রকাশ্যে কেউ বলছে, কেউ বলতে পারছে না। আমরাও তো খবর রাখি। দল করতে গেলে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। একজনকে প্রাধান্য দিলে আর কাউকে দিলে না সেটা তো হয় না।
উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ডিজিকে রাজ্যে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কথা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আগামী ১ মার্চের মধ্যে ১১০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৫৫ কোম্পানি বিএসএফ, ২৭ কোম্পানি আইটিবিপি, ২৭ কোম্পানি এসএসবি এবং ২১ কোম্পানি সিআইএসএফ অর্খাৎ মোট ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছবে রাজ্যে। এমনটাই সূত্রের খবর।