• বিজেপিতে যোগ দিয়েই জয়ী! মুকুল রায়ের প্রয়াণে আবেগী বার্তায় মোদী লিখলেন...
    ২৪ ঘন্টা | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: প্রয়াত বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়(Mukul Roy Passes Away)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। রবিবার গভীর রাতে কলকাতার বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত  উপসর্গ-সহ একাধিক জটিল অসুখে ভুগছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এরপরই রবিবার গভীর রাতে তাঁর কার্ডিয়াক ফেলিওর হয়। মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোকস্তবদ্ধ রাজনৈতিক মহল।

    ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগদান করেন মুকুল রায়। তবে সেই মেয়াদ ছিল কিছুদিনের জন্য। দলবদলের পরে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়ে গত ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল। জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু জেতার কয়েক মাসের মধ্যে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন মুকুল রায়। কিন্তু বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তৃণমূলে যোগ দিলেও মুকুল খাতায়-কলমে 'বিজেপি বিধায়ক' হয়েই থেকে গিয়েছিলেন। তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল।

    এক্স হ্যান্ডেলে মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, 'প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল রায়জির প্রয়াণে আমি মর্মাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সমাজসেবামূলক কাজের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। ওম শান্তি।'

    রাজ্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, 'বিশিষ্ট প্রবীণ রাজনীতিবীদ শ্রী মুকুল রায়ের প্রয়াণের সংবাদে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তাঁর বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করি। ওম শান্তি।'

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করে লেখেন, 'বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, ভারত সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী মুকুল রায় মহাশয়ের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। করুণাময় ঈশ্বরের কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার সদগতি প্রার্থনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।'

    দিলীপ ঘোষ বলেন, 'পার্টি যখন সমৃদ্ধ হয়েছিল তখন মুকুল রায় এসেছিলেন। পার্টির ফলাফলে তাঁর যোগদান আছে। তাঁর মত অভিজ্ঞ নেতাকে আমরা পেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার হওয়ার আগেই তিনি চলে যান। ওঁর নিশ্চয় কোনও বাধ্যবাধকতা ছিল। উনি শেষ জীবন তৃণমূলে কাটিয়েছেন। আমার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল, কোনও সমস্যা ছিল না। তাঁর অভিজ্ঞতাকে, উপদেষ্টা হিসাবে আমরা কাজে লাগিয়েছি।'

    মুকুল রায়, বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। অনেকদিন অসুস্থ ছিলেন। আমাদের জেলা থেকে বড় জায়গায় পৌঁছেছিলেন। তার মৃত্যুতে শোকাহত। এমনটাই মন্তব্য ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)