• ৩ নাকি ৪ মার্চ, রাজ্য সরকারের দোলের ছুটি ঠিক কবে?
    আজ তক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • আর কিছুদিনের মধ্যেই দেশজুড়ে উদযাপিত হবে রঙের উৎসব। দেশের অন্যান্য প্রান্তের মানুষ যখন হোলি পালন করবে, বাংলার মানুষ খেলবে দোল। তবে দোল আর হোলি কি এবার আর একই দিনে পড়ছে না। ফলে রাজ্য সরকার কবে ছুটি দিয়েছে, তা নিয়ে বিভ্রান্ত সাধারণ মানুষ। দোলের দিন কোনও প্ল্যান করার আগে তাই চটপট জেনে নিন, সরকারি ছুটি কবে। 

    হিসেব অনুসারে, হোলিকা দহন অর্থাৎ বাংলায় যাকে বলা হয়, ন্যাড়া পোড়ানো হবে ২ মার্চ। তার তার ঠিক পরদিন পালিত হয় দোল উৎসব। সাধারণত ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার দিন রং খেলা হয়। বাঙালিরা এই দিনটিকে দোল পূর্ণিমা হিসেবে পালন করেন। ২০২৬ সালে দোল  উৎসব পালিত হবে ৩ মার্চ, মঙ্গলবার। আর হোলি ৪ মার্চ, বুধবার। তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ছুটি মঙ্গলবার, দোলের দিন। 

    রঙের উৎসব হোলি নিয়ে বরাবরই মানুষের উৎসাহ থাকে তুঙ্গে। এবার ডবল ধামাকা, ওইদিনই দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। ৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার থাকবে ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি। সেই কারণ ফাল্গুনী পূর্ণিমার আর এক নাম দোল পূর্ণিমা। ভারতীয় সময় অনুসারে ৩ মার্চ দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে চাঁদে গ্রহণ লাগবে। গ্রহণ চলবে সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। মোট ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ধরে গ্রহণ চলবে। পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, অসম এবং অরুণাচল প্রদেশ থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।

    ২ মার্চ সন্ধ্যা ৫/৪২ মিনিট থেকে ৩ মার্চ বিকেল ৪/৫৭ মিনিট পর্যন্ত এই বছর পূর্ণিমা থাকবে।  দোল পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মের জন্যে খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এদিন রাধা-কৃষ্ণের পুজো করা হয় বিশেষত। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, দোল পূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীনীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। আবার শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বসন্ত উৎসব চালু করেছিলেন। তাই রঙিন এই উৎসবের দিকে মুখিয়ে থাকেন অনেকেই। 

     
  • Link to this news (আজ তক)