ঝাড়গ্রাম মেডিকেল চত্বরে মৌমাছির আক্রমণে জখম চিকিৎসক ও নার্স
বর্তমান | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে মৌমাছির হানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎক, নার্স ও রোগীর পরিবারের সদস্যদের মৌমাছি হুল ফুটিয়ে জখম করছে। রবিবার সকালে মৌমাছির হুল ফোটানোর জেরে ১১ জন আহত হয়। ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বনবিভাগ ও দমকল বাহিনীকে খবর দিয়েছে।
ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বড় বড় শাল গাছে মৌমাছির চাক রয়েছে। মৌমাছির ঝাঁক হাসপাতাল চত্বর ও ওয়ার্ডের ভিতর ঢুকে পড়ছে। সপ্তাহখানেক ধরে মৌমাছির আক্রমণ চলছে। হাসপাতালের তরফে রোগীর পরিবারের সদস্যদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা পরিষেবার ব্যাঘাত ঘটায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। মৌমাছির আক্রমণে গত কয়েকদিনে ২৩ জন জখম হয়েছেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ১৩ জন চিকিৎসা করিয়েছেন। মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক কুশল মল্লিককে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। ওয়ার্ডে মধ্যে মৌমাছি ঢুকে পড়ায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালের ভিতর পঞ্চাশ ফুট গাছের উপর মৌমাছির চাক রয়েছে। সেখান থেকেই মৌমাছির ঝাঁক হানা দিচ্ছে। হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী বড় গাছগুলোতেই মৌমাছির চাক রয়েছে। গত কয়েকদিনে মৌমাছির উপদ্রব হঠাৎ বেড়ে গিয়েছে। সোমবার থেকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য বড় সংখ্যায় রোগী ও রোগীর পরিবারের সদস্যরা আসবেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। হাসপাতাল সংলগ্ন এক চায়ের দোকানদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় মৌমাছির উপদ্রুত রয়েছে। মৌমাছির ঝাঁক উড়ে এলে পথচারীরা দৌড়ে বেড়ায় । আমরা দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে দিই। বনবিভাগের কোনো পদক্ষেপ নেই। ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি অনুরুপ পাখিরা বলেন, মৌমাছির আক্রমণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী ও রোগীর পরিবারের সদস্যরা আহত হচ্ছেন। দমকল ও বনবিভাগকে জানানো হচ্ছে।