শিলিগুড়ি এসডিও অফিসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও স্বাস্থ্যসাথী সেলে ভিড়
বর্তমান | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ভাতা নিয়ে নেতিবাচক প্রচার অব্যাহত। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে তীব্র আক্রমণ করছে বিরোধীরা। তা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। সোমবার শিলিগুড়ি মহকুমা শাসকের অফিসে সংশ্লিষ্ট দু’টি প্রকল্পের জন্য উপচে পড়ে মহিলাদের ভিড়। কেউ নাম, ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউনন্ট সংশোধন করার, আবার কেউ নাম তোলার আবেদন করেন। সকলেই প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপাধ্যায়ের সরকারের।
শিলিগুড়ি জংশনের কাছে এসডিও অফিস। সংশ্লিষ্ট অফিসের তিনতলায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সেল। এদিন সকাল ১১টা থেকে সেই সেলের সামনে ছিল মহিলাদের ভিড়। অধিকাংশের কোলে ছিল সন্তান। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন অনেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য নতুন করে আবেদন করেন। আবার কেউ কেউ আগে আবেদন করেছিলেন। তাঁদের কারও নাম, কারও ঠিকানা কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরে ত্রুটি ছিল। সেই সব সংশোধনের জন্যই আবেদন করতে আসেন।
কয়েকজন মহিলা বলেন, অনেকদিন আগে আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছি না। প্রশাসনের কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ত্রুটি আছে। তা সংশোধান করতেই এখানে এসেছি। এখন সররকার মাসে ১৫শো টাকা দেবে। এটা আমাদের কাছে বড় বিষয়।
সংশ্লিষ্ট ভবনের ওই তলার আরএকপাশে স্বাস্থ্যসাথীর সেল। সেখানেও ছিল মহিলা ও পুরুষদের লম্বা লাইন। প্রশাসন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি শহরে বর্তমানে প্রায় এক লক্ষ পরিবার স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পাচ্ছেন। তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্মে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড আছে কি না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সে বিষয়ে অনেকে খোঁজ নিতে আসেন। এছাড়া অনেকে কার্ড তুলতে, আবার অনেকে নতুন করে করতে এবং নাম ও ঠিকানা সংশোধন করতে এসেছিলেন।
প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, যুবসাথী প্রভৃতি প্রকল্প নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও আপনারা এখানে? কমলা সরকার ও অঞ্জলি দাস নামে দু’জন মহিলা বলেন, কে, কি বলছেন জানা নেই। দিদির সররকার যে সুবিধা দিচ্ছে, তা অন্য কেউ দিতে পারবে না। তাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে আপত্তি নেই।