উত্তর দিনাজপুরে ভোটের আগেই কার্যত ব্যাকফুটে গেরুয়া শিবির
বর্তমান | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে সাংগঠনিক প্রস্তুতি কার্যত শেষ করে ফেলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অথচ উত্তর দিনাজপুরে বিজেপি এখনও ঘর গোছাতেই ব্যস্ত। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল এখনও শাখা সংগঠনগুলির পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটিই ঘোষণা করতে পারেনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ একে সাংগঠনিক দুর্বলতা বলেই মনে করছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, শীঘ্রই সমস্ত স্তরে কমিটি গঠন হয়ে যাবে। দলের জেলা সভাপতি নিমাই কবিরাজ বলেন, মোর্চাগুলির কমিটি আগে থেকেই আছে। যাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে আছেন, কেবলমাত্র তাঁদের পরিবর্তন করে দ্রুত কমিটি গঠন করা হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যুব মোর্চা, মাইনরিটি মোর্চা সহ বেশকিছু শাখা সংগঠনে সদ্য জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবার সংগঠনের জেলা সভাপতি কমিটি গঠন করবেন। সেই সঙ্গে জেলার সমস্ত মণ্ডল কমিটির সভাপতি নিয়োগও করতে হবে। তারপরেই তাঁরা মণ্ডল কমিটি গঠন করবেন। দলের একাংশ বলছে, এসব রাতারাতি করা সম্ভব নয়। পরিস্থিতি পুরোপুরি বুঝে ওঠার পরই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা কমিটি গঠনে নামবেন। কারণ বিধানসভা নির্বাচনের আগে শক্তপোক্ত কমিটি গঠন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলার ইসলামপুর, চাকুলিয়া, গোয়ালপোখর, ইটাহার সংখ্যালঘু অধ্যষিত কেন্দ্র। ফলে ভোট টানতে শক্তিশালী সংখ্যালঘু মোর্চা দরকার। এই পরিস্থিতিতে সভাপতি হিসেবে সদ্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আবদুল জলিলকে। বলেন, এখন জেলা কমিটি গঠন করব। এরপর মণ্ডল কমিটির সভাপতি নিয়োগ করা হবে।
অন্যদিকে, যুব মোর্চার নয়া জেলা সভাপতি ভক্তকুমার রায় ২৩ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন। বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব নিলেও যুব মোর্চা আগে থেকেই শক্তিশালী আছে। এমাসের মধ্যেই কমিটি গঠন হয়ে যাবে। রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, কালিয়াগঞ্জ ছাড়া জেলার একটি আসনেও বিজেপি সাফল্য পায়নি। এবারের নির্বাচন অগ্নিপরীক্ষা হতে চলেছে। তাই সংগঠন গোছানোর কাজ আরও আগে করা প্রয়োজন ছিল।