নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পুরসভার সংশোধিত বাজেটে কমল ৪২ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ সালের জন্য ৫৮২ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছিল জলপাইগুড়ি পুরসভা। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে ওই টাকার পরিমাণ কমে এসে দাঁড়াল ৫৪০ কোটি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় রিভাইসড বাজেটে টাকার পরিমাণ কমেছে বলে পুরসভা সূত্রে খবর।
এদিকে, মঙ্গলবার সংশোধিত বাজেট পেশ নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সভায় এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার। পরে তিনি বলেন, প্রথমত চেয়ারপার্সন হিসেবে যিনি এই বাজেট পেশ করেছিলেন, তিনি এখন আর চেয়ারে নেই। পুরসভায় এখন নতুন চেয়ারম্যান। ফলে এই বাজেটকে ‘এক্সপেয়ারি’ বাজেট বলে মনে করি আমরা। তাছাড়া নতুন চেয়ারম্যান গত ১৪ নভেম্বর শপথ নেওয়ার পর এখনো চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল গঠন করা হয়নি। সবচেয়ে বড় বিষয়, সংশোধিত বাজেটের কপি আমি হাতে পেয়েছি গত ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু ওই বাজেট বইয়ে লেখা রয়েছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বোর্ড মিটিংয়ে নাকি কাউন্সিলাররা এই সংশোধিত বাজেটের বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন। অম্লানের তোপ, পুরসভা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে না। যদিও পুর আইন মেনেই সবটা করা হচ্ছে বলে দাবি জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, মূল বাজেটে যে টাকা ধরা থাকে, সংশোধিত বাজেটে এসে তা কম-বেশি হতে পারে। এতে শহরের উন্নয়নে কোনো প্রভাব পড়ে না। মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। চেয়ারম্যানের দাবি, সংশোধিত বাজেট পেশের জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমাদের হাতে বর্ধিত সময়সীমা ছিল। সেই সময়ের মধ্যেই আমরা সংশোধিত বাজেট পেশ করলাম। তাছাড়া চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল না থাকলেও এই বাজেট পেশে কোনো সমস্যা নেই।