• মৃত ও নিখোঁজ নাবিকের পরিবার কীভাবে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে?
    বর্তমান | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি কলকাতা: শুক্রবার শহরে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাহাজে কর্মরত নাবিক কল্যাণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এই অনুষ্ঠান থেকে পাটনায় মার্কেন্টাইল মেরিন ডিপার্টমেন্ট ও আউটরিচ সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। একইসঙ্গে কলকাতায় নাবিক গৃহ সমিতি ও মেরিন ক্লাবের উন্নয়ন কাজের সূচনা করা হয়। জাহাজ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, মন্ত্রকের সচিব বিজয় কুমার এবং ডিরেক্টর জেনারেল অব শিপিং সাম জগন্নাথন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। দেশ এখন সামুদ্রিক ক্ষেত্রে তার উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে ভারতীয় নাবিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা, সুযোগ-সুবিধা প্রভৃতি নিশ্চিত করাই সরকারের কাছে অগ্রাধিকার।

    জাহাজ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাটনায় নতুন অফিস ও আউটরিচ সেন্টার চালু হওয়ার ফলে বিহার ও লাগোয়া এলাকার বাসিন্দা নাবিকদের সুবিধা হবে। সেখান থেকে বিভিন্ন নথিপত্র সংক্রান্ত সহায়তা, অভিযোগের নিষ্পত্তি ও কল্যাণমূলক পরিষেবা আরো সহজে পাবেন তাঁরা। নাবিক কল্যাণ সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ নেন ২০০ জন। তাঁদের মধ্যে নাবিক, ক্যাডেট, জাহাজ মালিক সংগঠন, জাহাজ ম্যানেজার, প্রশিক্ষণ সংগঠন, নাবিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সরকারি অফিসাররা ছিলেন। সমুদ্রে কর্মরত অবস্থায় কোনো নাবিক মারা গেলে অথবা নিখোঁজ হলে কিংবা গুরুতর আঘাত পেলে ক্ষতিপূরণ কীভাবে মিলবে? তাঁদের জন্য বিমার কী সুবিধা আছে? ক্ষতিগ্ৰস্ত পরিবারগুলি কী কী আর্থিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য? এসব নিয়েই আলোচনা হয় সেখানে। আলোচনায় গুরুত্ব পায় নাবিকদের মজুরি, সুরক্ষা ও আর্থিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শহরের গঙ্গার তীরের সৌন্দর্যায়ন ও ঘাটগুলির উন্নয়ন সংক্রান্ত থিমের উপর গার্ডেনরিচ ডক ইয়ার্ডে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয় ‘ও নদীরে’। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রথেন্দ্র রমনসহ আধিকারিকরা এখানে উপস্থিত ছিলেন।
  • Link to this news (বর্তমান)