• নাম নথিভুক্ত করেও সরকারি কেন্দ্রে ধান বিক্রিতে অনীহা বহু কৃষকের
    বর্তমান | ০১ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: চলতি অর্থবর্ষে সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করার জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নাম নথিভুক্ত করেছিলেন ৯৮ হাজার কৃষক। কিন্তু তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন সেন্ট্রালাইজড প্রকিওরমেন্ট সেন্টারে গিয়ে উৎপাদিত ধান বিক্রি করলেন ৭৪ হাজারের মতো কৃষক। বাকিরা কেন সরকারি জায়গায় ধান বিক্রি করলেন না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। আধিকারিকরাও এনিয়ে উদ্বিগ্ন। এদিকে, রাজ্যের বেঁধে দেওয়া টার্গেটের মধ্যে এখনও পর্যন্ত অর্ধেক ধান কিনেছে জেলা খাদ্যবিভাগ। আপাতত কেনার পরিমাণ খুব বেশি বাড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

    জানা গিয়েছে, এবারে জেলায় প্রথমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার টার্গেট দেওয়া হয়েছিল। পরে দু’বার সেই সংখ্যা সংশোধন করে আপাতত ২ লক্ষ ৭ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে। তার মধ্যে ১ লক্ষ ৯ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে। খাদ্যবিভাগের আধিকারিকরা বলেন, ২০২৪-২৫ সালে ৬৪ হাজারের মতো কৃষক নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। সেই তুলনায় এবার সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। তবে সবাই যদি অল্প করে হলেও ধান বিক্রি করতেন, তাহলে টার্গেটের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া যেত। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন এই বিপুল সংখ্যক কৃষক নিজেদের নাম লিখিয়েও সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে এলেন না?

    জেলা সূত্রে খবর, এক শ্রেণির কৃষক বাড়তি লাভের আশায় খোলাবাজারে নিজেদের ধান বিক্রি করেছেন। তবে যাঁরা এখনও কোথাও যাননি, তাঁদের বিভিন্ন ব্লকের ঠিক করা সরকারি জায়গায় আসার জন্য বোঝানো হচ্ছে। এনিয়ে প্রচারও করছেন আধিকারিকরা। এদিকে, ফেব্রুয়ারির প্রায় তৃতীয় সপ্তাহে এসেও ধান কেনার গতি প্রতিবছরের মতো এবারও কমে গিয়েছে। তাই এখন খাদ্যবিভাগের চিন্তা, কীভাবে সরকারের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)