• শুনানিতে নথি দিয়েও বাদ গেল নাম, ভবানীপুরে প্রবল বিড়ম্বনায় ২ মহিলা, প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকায় মৃত ব্যক্তি হলেন ‘জীবিত’ ভোটার! তুমুল বিতর্ক
    বর্তমান | ০১ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খসড়া তালিকায় নাম ছিল না। শুনানিতে ডাকা হয় ভবানীপুর বিধানসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিপালী বর্মণকে। একই ঠিকানা থেকে শুনানিতে ডাক পান আরও এক মহিলা। তাঁর নাম কুসুম দুবে। দু’জনের থেকেই প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তাতেও নিট ফল ‘শূন্য’। প্রথম দফার চূড়ান্ত এসআইআর তালিকায় নাম নেই দিপালী বর্মণ ও কুসুম দুবের। শনিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে নিজেদের নাম আছে কি না দেখতে গিয়েছিলেন দু’জন। দেখতে পান প্রবল বিড়ম্বনার কবলে পড়েছেন।

    ভবানীপুর বিধানসভার অন্তর্গত ২ নম্বর গোপাল নগর রোডের বাসিন্দা দিপালী বর্মণ। তিনি বলেন, ‘ইনিউমারেশন ফর্ম জমা করার পর শুনানিতে ডাকা হয়। সেখানে ভোটার কার্ড, জন্ম শংসাপত্র সহ একাধিক নথিপত্র জমা করি। তাতেও প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকায় নাম নেই। তাহলে কি আমি ভোট দিতে পারব না? এরপর কি করতে হবে কিছুই তো বুঝতে পারছি না। চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হতে হবে।’ একই বিড়ম্বনায় কুসুমদেবী।

    গোপাল নগর রোডেই থাকতেন জুগনু বাসফোঁড়। তিনি মারা যান। তাঁর পরিবারের দাবি, মৃত্যুর তথ্য ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় জুগনুর নাম রয়েছে। ভোটার তালিকায় জীবিত ব্যক্তি হিসেবে নাম উঠেছে তাঁর। এছাড়া বেশ কয়েকজনকে এমন পাওয়া গিয়েছে যাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়নি। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, তাঁদের নাম বিচারাধীন। ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দেবলীনা বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বুথে বসেছি। যাঁরা যাঁরা জানতে আসছেন তালিকা দেখে বলে দেওয়া হচ্ছে। যে মানুষটি প্রয়াত আমি নিজে ওঁর বাড়ি গিয়েছিলাম। মৃতকে জীবিত হিসেবে ভোটার তালিকায় দেখিয়ে দিয়েছে। এত কিছু করার পরও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। এবার এঁদের হয়ত আবার নতুন করে ছ’নম্বর ফর্ম জমা করতে হবে। মানুষের সহযোগিতা করার জন্য আমরা সব সময় আছি।’
  • Link to this news (বর্তমান)