• টিকিট প্রাপ্তি না দেখে দলের স্বার্থে কাজ করা উচিত, বার্তা তৃণমূলের
    বর্তমান | ০১ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কে টিকিট পাচ্ছেন, তা না দেখে সবার উচিত দলের স্বার্থে কাজ করা। শনিবার বর্ধমানে ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’দের কর্মসূচি থেকে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের দুই বর্ষীয়ান মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এবং সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। এর আগে মন্তেশ্বরে একাধিক বিতর্কমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লাহসাহেব। এদিন তাঁর গলায় উল্টো সুর শোনা যায়। তিনি নেতা এবং কর্মীদের সংযতমূলক বক্তব্য রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বড় একটা যুদ্ধ। ভাল ফল করতে হলে দায়িত্ববান হতে হবে। কাজে গাফিলতি করা যাবে না। আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগলে হবে না। বিতর্কমূলক কোনও আলোচনা করা যাবে না। আমি নিজে সজাগ থাকব। আপনারাও সজাগ থাকবেন। মুখের ভাষা হবে মধুর। নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রাখতে হবে। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের বর্ষীয়ান নেতা স্বপন দেবনাথ বলেন, মঞ্চে যাঁরা বসে থাকি, তাঁদের কার না শখ হয় ভোটে দাঁড়ানোর। যোদ্ধাদের কাজ হল দলকে জেতানো। কে বিধায়ক হবে, সেটা বড় কথা নয়, দলকে জেতানো সবার টার্গেট হওয়া উচিত। কোনো দাদার যোদ্ধ হবেন না। দলের যোদ্ধা হবে।

    এদিনের কর্মসূচিতে যুব তৃণমূলের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, সাংসদ শর্মিলা সরকার, বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার সহ দলের বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডিজিটাল যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিভিন্ন কর্মসূচি প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা শাসক দলকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুৎসা প্রচার করছে। তার বিরুদ্ধেও যুক্তি দিয়ে প্রচার করার জন্য বলা হয়েছে। সাংসদ শর্মিলা সরকার বলেন, ডিজিটাল যোদ্ধাদের বড় ভূমিকা নিতে হবে। সরকারের সাফল্যের দিকগুলি তুলে ধরতে হবে। তৃণমূল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, টিকিট পাওয়া নিয়ে নেতাদের মধ্যে কার্যত অঘোষিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকের সংগঠনের দিকে নজর নেই। নিজেদের প্রচারের আলোয় আনতে তাঁরা মরিয়া। এদিন বর্ষীয়ান দুই নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছেন। পাশাপাশি নেতা ও নেত্রীদেরও বার্তা দিয়েছেন।
  • Link to this news (বর্তমান)