জয়নগরে ২ কোটি ৯৫ লক্ষে ডবল ফার্নেস বৈদ্যুতিক চুল্লি
বর্তমান | ০২ মার্চ ২০২৬
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: পরিবেশ দূষণ রুখতে হাওড়ার শিবপুর, উলুবেড়িয়া পুরসভার বাউড়িয়ার পর এবার উদয়নারায়ণপুরের জয়নগরে তৈরি হচ্ছে বৈদ্যুতিক চুল্লি। রবিবার বিকেলে কানুপাট মনসুকা গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়নগরে দামোদর নদী তীরবর্তী এলাকায় সেই বৈদ্যুতিক চুল্লির শিল্যানাস করেন উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা। উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুলেখা পাঁজা, উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্যাণ গায়েন, কেএমডিএর চিফ ইঞ্জিনিয়ার দীপঙ্কর রায় প্রমুখ।
প্রশাসন সূত্রে খবর, ডবল ফার্নেস এই বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরি করতে খরচ হবে প্রায় ২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। এদিন বৈদ্যুতিক চুল্লির শিল্যানাস করে বিধায়ক সমীর পাঁজা বলেন, উদয়নারায়ণপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই চুল্লি। তবে জমির সমস্যা কিছুটা ছিল। সেই সমস্যা মিটে যাওয়ায় বৈদ্যুতিক চুল্লির শিল্যানাস করা হল। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলেই কাজ শুরু হবে। বিধায়ক বলেন, এই বৈদ্যুতিক চুল্লি নিয়ে কিছু ব্যক্তি নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের ভুল বুঝিয়েছিলেন। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁরা ভুল বুঝতে পেরেছেন। উদয়নারায়ণপুরে এই বৈদ্যুতিক চুল্লি হওয়ায় এই ব্লকের মানুষ ছাড়াও ডোমজুড়, জগৎবল্লভপুর, জাঙ্গিপাড়া, খানাকুল, পুরশুড়া, আমতার মতো বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের উপকার হবে। আগামী ৮/১০ মাসের মধ্যে বৈদ্যুতিক চুল্লির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
এদিকে এলাকায় বৈদ্যুতিক চুল্লি হচ্ছে বলে খুশি সাধারণ মানুষ। গৌরাঙ্গচকের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ পাছাল বলেন, এখানে বৈদ্যুতিক চুল্লি না থাকায় নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে বন্যার সময় মৃতদেহ দাহ করতে সমস্যা হয়। অনেক সময়ে মৃতদেহ দাহ করতে উলুবেড়িয়ায় নিয়ে যেতে হয়। এবার সেই সমস্যা মিটবে।