• ক্যানিং হাসপাতালে বিকল হয়েই পড়ে মেশিন, বন্ধ সার্ভাইকাল ক্যানসার পরীক্ষা
    বর্তমান | ০২ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মেশিন পরিচালনার জন্য যে সফটওয়্যার ডঙ্গল প্রয়োজন, সেটিই চুরি হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। তার জেরে সারভাইকাল ক্যান্সার পরীক্ষা (কলপোস্কোপি) বন্ধ ক্যানিং হাপসাপতালে। ফলে বিপাকে পড়েছেন অনেক মহিলা। বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের বারুইপুর হাসাপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছে। ছয় মাস ধরে এমন পরিস্থিতি হয়ে রয়েছে। কবে নতুন করে সেই ডঙ্গল কেনা হবে, সেই প্রশ্নেরও কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।

    জানা গিয়েছে, এই ডঙ্গল লাগিয়েই ওই মেশিন চালু করে কলপোস্কোপি করা যায়। ডঙ্গল ছাড়া এই যন্ত্র কাজই করবে না। দুষ্কৃতীরা সেটিই চুরি করে পালিয়েছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যে সংস্থা এই মেশিন দিয়েছিল, তারা নতুন ডঙ্গল কিনে দিতেও প্রস্তুত। কিন্তু কোন খাত থেকে টাকা খরচ করা হবে, তার ব্যাখ্যা স্বাস্থ্যভবন থেকে না আসায়, এই প্রক্রিয়া নিয়ে এগনো যাচ্ছে না। দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য আধিকারিক মুক্তিসাধন মাইতি বলেন, আমরা বিষয়টি স্বাস্থ্যদপ্তরকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত তারা এনিয়ে পদক্ষেপ করবে।

    সুন্দরবন জুড়ে অসংখ্য মহিলা ক্যানিং হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। স্ত্রী রোগের চিকিৎসা করাতে ভালো ভিড় হয় এখানে। চিকিৎসকরা অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের কলপোস্কোপি করার জন্য নির্দেশ দেন। সারভাইকাল ক্যান্সারের সম্ভাবনা আগাম ধরতে, কারও শরীরে এই মারণ রোগ বাসা বাঁধছে কি না তা জানতে, এই পরীক্ষা খুবই জরুরি। কিন্তু যেভাবে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে এই মেশিন বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে, তাতে চিকিৎসকমহল উদ্বিগ্ন। কারণ, অনেক মহিলাই নিজে থেকে এই পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হন না। তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই ডাক্তাররা জোর করেই এই পরীক্ষা করাতেন।
  • Link to this news (বর্তমান)