সংবাদদাতা, কাঁথি: দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে প্রথমবার গৌরপূর্ণিমা ও হোলি উৎসব অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কয়েকদিন ধরে ভক্তিমূলক উৎসবের অঙ্গ হিসাবে কীর্তন, অভিষেক ও প্রসাদ বিলি অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার গৌরপূর্ণিমা উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা উপলক্ষ্যে অধিবাস হবে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার ৩মার্চ চন্দ্রগ্রহণ উপলক্ষ্যে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বৈষ্ণব প্রথা অনুযায়ী গ্রহণের পবিত্রতা ও ধর্মীয় বিধি মেনে ওইদিন মন্দিরের গর্ভগৃহ ও দর্শন ব্যবস্থায় সাময়িক পরিবর্তন আনা হয়েছে। রবিবার এক প্রেস বিবৃতিতে মন্দির ট্রাস্ট কমিটির তরফে একথা জানানো হয়েছে।
চন্দ্রগ্রহণের কারণে মঙ্গলবার ভক্তরা সকাল ৬টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত মন্দির দর্শন করতে পারবেন। এরপর গ্রহণজনিত আচার পালনের জন্য ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মন্দিরের দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে মন্দিরের শুদ্ধিকরণ ও বিশেষ ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করা হবে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আবারও ভক্তদের দর্শনের জন্য মন্দির খোলা থাকবে। সেই সময় মহা গৌরপূর্ণিমা অভিষেক, কীর্তন, ভক্তিমূলক নৃত্য ও প্রসাদ বিলি করা হবে। ৪মার্চ হোলি উদ্যাপন করা হবে। বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভক্তিমূলক হোলি উৎসব হবে। সেখানে ভক্তরা কীর্তনের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক পরিবেশে বিগ্রহে পবিত্র রং অর্পণ করবেন। দু’দিন ধরে রাত ৯টার পর নিয়মিত আচার অনুষ্ঠান শেষে মন্দিরের দ্বার বন্ধ করে দেওয়া হবে। মন্দির ট্রাস্ট কমিটির সদস্য ও প্রধান পুরোহিত রাধারমন দাস বলেন, জগন্নাথ মন্দির প্রথমবারের মতো গৌরপূর্ণিমা ও হোলি উদযাপনের মাধ্যমে দিব্য আশীর্বাদ ধন্য হচ্ছে। যা ভারত এবং বিশ্বের ভক্তদের জন্য একটি ঐতিহাসিক আধ্যাত্মিক মুহূর্ত হিসাবে চিহ্নিত হবে। আমরা বৈষ্ণব প্রথা কঠোরভাবে অনুসরণ করে মন্দিরের সময়সূচি নির্ধারণ করেছি।