প্রীতিশ বন্দ্যোপাধ্যায়
রাজ্যসভায় (RajyaSabha Election) বাংলা থেকে বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহা (Rahul Sinha)। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। বাংলা থেকে পাঁচটি আসনের মেয়াদ ফুরোচ্ছে। এর মধ্যে চারটি তৃণমূলের, একটি সিপিএমের। যে হেতু বিধানসভায় সিপিএমের বিধায়ক সংখ্যা শূন্য, তাই তারা আর প্রার্থী দিতে পারবে না। অন্যদিকে বিধানসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা যে হেতু ৪৫-এর বেশি (রাজ্যসভায় প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থী পিছু সেই রাজনৈতিক দলের ন্যূনতম ৪৫ জন বিধায়ক থাকতে হয়), তাই তারা প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। প্রার্থী হিসেবে রাহুল সিনহাকে মনোনীত করার কথা মঙ্গলবারই আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হলো।
শমীক ভট্টাচার্যকে এর আগে বাংলা থেকে পাঠানো হয়েছে রাজ্যসভায়। এ বার রাহুল সিনহা। অনন্ত মহারাজ যদিও বিজেপির সমর্থনেই রাজ্যসভার সাংসদ, তবে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এই মুহূর্তে ঠিক কী, তা নিয়েও চর্চা চলছে।
এ দিন ছ’রাজ্যের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। বাংলা থেকে রাহুল সিনহা, বিহার থেকে নীতিন নবীন ও শিবেশ কুমার, অসম থেকে তেরশ গোয়ালা, যোগেন মোহন, ছত্তীসগড় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানায় সঞ্জয় ভাটিয়া, ওডিশায় মনমোহন সামল ও সুজিত কুমার।
ইতিমধ্যেই তৃণমূল তাদের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছে। রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ও টলিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে পাঠাচ্ছে তারা।
বিজেপিও এ দিন জানিয়ে দিল, বাংলা থেকে তাদের মুখ রাহুল সিনহা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে হারের গ্লানি মুছে প্রথমবার সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চলেছেন রাহুল। এর আগে, যতবারই তিনি ভোটে লড়েছেন, গণদেবতার দরবার থেকে হার নিয়েই ফিরতে হয়েছে। এ বার দল তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে। এখানে ভোটাভুটির কোনও সুযোগ নেই। কারণ, তৃণমূল অতিরিক্ত প্রার্থী দিচ্ছে না, বিজেপিও দেয়নি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ জনই রাজ্যসভায় যাবেন।
অন্যদিকে বিহারে দু’টি আসনে একটি আসনে প্রার্থী বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। এর আগে বিহারের বিধায়ক হয়েছেন তিনি। এ বার তাঁকে নিয়ে আসা হচ্ছে রাজ্যসভায়। আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভার ভোট।