• চৈতন্যদেবের বাংলায় 'ধর্মনিরপেক্ষতার' কথা মমতার, শুভেন্দু চাইছেন, 'সেক্যুলারিজম' নিপাত যাক
    আজ তক | ০৩ মার্চ ২০২৬
  • দোলযাত্রার পাশাপাশি শাসক-বিরোধী দুই পক্ষই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মদিবসও পালন করছে মঙ্গলবার। একদিকে ভবানীপুরে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে দাঁড়িয়েই সাধু-সন্তদের নিয়ে খোল-করতাল বাজিয়ে 'হরে কৃষ্ণ' গাইলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, এক্স হ্যান্ডলে চৈতন্যদেবের বাংলায় সকলকে সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, 'শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও তাঁর মানবতার আদর্শ বিগত ৫০০ বছর ধরে আমাদের পথে দেখাচ্ছে, উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ধনী-দরিদ্র, বিদ্বান-মূর্খ, জাতি-বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণকে একত্র করেছিল। তাঁদের প্রেমের শৃঙ্খলে বেঁধে, এক সাম্য ও ঐক্যের পথে দেখিয়েছিল। যার পরিণতি বাংলার নবজাগরণ। তাই আমারে কাছে মহাপ্রভুর ধর্ম মানে মানবতার ধর্ম। আমাদের আজকের দিকে শপথ নিতে হবে, শ্রীচৈতন্যদেবের বাংলার ধর্মনিরপেক্ষতায়, সহিষ্ণুতার ঐতিহ্যের গায়ে আমরা দাগ লাগতে দেব না।'

    একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, 'আমাদের রাজ্য সরকার মহাপ্রভুর জন্মস্থান নবদ্বীপকে হেরিটেজ াউন হিসেবে গড়ে তুলেছে। পাশে মায়াপুরে ISKCON-এর পবিত্র এই তীর্থ নগরী তৈরি করতে ৭০০ একর জমির বন্দোবস্ত করেছে রাজ্য সরকার।'

    অন্যদিকে, ভবানীপুরে মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন হিন্দুদের একজোট করার কথা। তাঁর বক্তব্য, 'নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেক্যুলারিজম নিপাত যাক। হিন্দু জাগরণ হোক এবং পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা যাতে সুরক্ষা থাকে, হিন্দুরা যাতে স্বাধীনভাবে ধর্মাচরণ করতে পারে, রাধামাধবের কাছে সেই পার্থনা করব।' সাম্প্রতিক সময়ে ভবানীপুরে শুভেন্দুর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শুধু সফর নয়, সেখানে একটি ‘ওয়ার রুম’ গঠনও করেছেন তিনি। নিয়মিত বৈঠক ও কর্মসূচির জেরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা জোরদার হয়েছে, তাহলে কি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা?

     
  • Link to this news (আজ তক)