রং খেলার (Holi) পরে স্নান করতে গঙ্গায় (Ganga) নেমেছিলেন। আচমকাই তলিয়ে গেলেন চার তরুণ-তরুণী (Four Youth Drowned Ganga)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাটপাড়ার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁদের খোঁজে গঙ্গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ডুবুরি। কিন্তু এখনও কোনও হদিশ মেলেনি। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং। তবে তাঁর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতা।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্ধুদের সঙ্গে দোল খেলতে কলকাতা থেকে ভাটপাড়ায় এসেছিলেন দীপশিখা দাস রজক (২০)। বিকেলের দিকে মাদরাল গভর্নমেন্ট কলোনির বাসিন্দা সৈকত নন্দী (৩২) এবং সৌরভ নন্দীর (২৭) সঙ্গে ভাটপাড়ার বলরাম সরকার ঘাটে নামেন তিনি। আচমকাই একটা বড় ঢেউ ওঠে। সেটাই সামলাতে পারেননি। অভিযোগ, তলিয়ে যান তিনজনেই। গঙ্গার ঘাটে বসে পুরো দৃশ্যটা দেখছিলেন ভাটপাড়ার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৌরভ দাস (১৮) নামে এক তরুণ। তাঁদের বাঁচাতে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন সৌরভ। কিন্তু ভরা গঙ্গায় তিনিও তলিয়ে যান বলে অভিযোগ।
এমন ঘটনায় হইচই পড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারাই পুলিশে খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে আসে ভাটপাড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চার তরুণ-তরুণীর হদিশ পাওয়া যায়নি।
দোলের দিন গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশের দিকে আঙুল তুলেছেন ভাটপাড়ার বিজেপি বিধায়ক পবন সিং। তাঁর কথায়, ‘গঙ্গার ঘাটে পুলিশ ছিল। কিন্তু তাঁদের জলে নামতে বারণ করেনি।’ পাল্টা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তৃণমূল নেতা তথা ভাটপাড়া পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান গোপাল রাউত। তিনি বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্র প্রশাসন সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে। তল্লাশি চলছে।’