দোলের রাতে দুর্ঘটনা। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। আহত হয়েছেন তাঁর স্ত্রী এবং মেয়ে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনায় ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থানা এলাকায়। মোটরসাইকেলে স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তখনই একটি ধাক্কা মারে ওই মোটরসাইকেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সৌমিত্র বর্মন। ৩৫ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি পূর্ব মেদিনীপুর (East Midnapore) জেলারই নন্দকুমার থানার শীতলপুরের বাসিন্দা। ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর স্ত্রী ময়না বর্মন ও সাত বছরের মেয়ে অয়ন্তিকা বর্মন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার, দোলের সন্ধ্যা মোটারসাইকেলে করে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে চৈতন্যপুরের দিকে যাচ্ছিলেন সৌমিত্র বর্মন। যাওয়ার সময়ে হলদিয়া (Haldia)-মেচেদা রাজ্য সড়কে মহিষাদল থানার শিবমন্দিরের কাছে একটি ট্রাক পিছন থেকে ধাক্কা মারে মোটরসাইকেলে। তিন জনই গুরুতর আহত হন। পরে মৃত্যু হয় সৌমিত্র বর্মনের ।
ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকের চালক পলাতক বলে জানিয়েছেন মহিষাদল থানার ওসি পীযুষকান্তি মণ্ডল।
তবে, শুধু মহিষাদলেই নয়, দোলের দিনে রাজ্যের একাধিক জায়গায় দুর্ঘটনা (Road accident) ঘটেছে। হুগলির গোঘাটে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই যুবকের। গোঘাটের হাজিপুর এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে গাছে ধাক্কা মারে । ওই ঘটনাতেই আহত হন অন্তত ১২ জন। ওই পিকআপ ভ্যানেই ছিলেন ২ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরের তাতারপুর এলাকায় চাঁচড় উৎসব দেখে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।
হুগলির তারকেশ্বর (Tarakeshwar) মন্দিরের দুধপুকুরে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যায় দশম শ্রেণির এক ছাত্র। অন্য দিকে, উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় গঙ্গা নদীতে তলিয়ে যান চার জন তরুণ-তরুণী । রং খেলার পরে স্নান করতে গঙ্গায় (Ganga) নেমেছিলেন তাঁরা। একটি বড় ঢেউ সামলাতে না পেরেই তলিয়ে যান ওই চার জন। উদ্ধারকাজ শুরু হলেও বুধবার ভোর রাত পর্যন্ত তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।