বাঁকুড়ার জয়পুর রেঞ্জে দলছুট এক দাঁতাল তাণ্ডবে (Elephant Attack) এক গ্রামবাসীর মৃত্যু। বুধবার ভোরের ঘটনায় গুরুতর জখম আরও ৬। মৃত ব্যক্তির নাম বিজয় কোলে। তিনি জয়পুরের রাউৎখণ্ড এলাকার পাথরপাড়ার বাসিন্দা। এ দিন দলছুট ওই হাতি গ্রামে ঢুকে একের পর এক বাড়িতে ভাঙচুর শুরু করে। নিজের বাড়িতেই হাতির সামনে পড়ে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিজয়ের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ এবং বনদপ্তরের কর্মীরা। তাঁরাই আহত ছ’জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। আপাতত সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
সূত্রের খবর, এ দিন ভোর থেকেই রাউৎখণ্ড, জামডিগরি ও কলাবনি গ্রামে তাণ্ডব চালাতে শুরু করে ওই দাঁতাল। হাতির গর্জনে ঘুম ভেঙে যায় গ্রামবাসীদের। প্রাণ ভয়ে এ দিন ওদিক ছুটতে শুরু করেন গ্রামবাসীদের একাংশ। যার জেরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এলাকায়।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানিয়েছেন, রাউৎখণ্ড থেকে বের হয়ে হাতি পার্শ্ববর্তী জামডিগরি ও কলাবনি এলাকায় ঢুকে পড়ে। বনদপ্তরের কর্মীরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিন্তু দীর্ঘ চেষ্টার পরেও হাতিটিকে বাগে আনা সম্ভব হয়নি। আপাতত স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জয়পুর রেঞ্জ অফিসার রাজেশ দাস বলেন, ‘আহতদের মধ্যে বনদপ্তরের কর্মী। দলছুট হাতিটিকে বাগে আনার চেষ্টা চলছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পি রুইদাস বলেন, ‘অনেকে আহত হয়েছেন। এখনও হাতিটিকে বাগে আনা সম্ভব হয়নি। অনেক বাড়িও ভেঙে দিয়েছে হাতিটি।’