মধ্যমগ্রামের আগুনে (Fire break out near madhyamgram station) একজনের মৃত্যুর খবর সামনে আসছে। ২-৩ জন আহত। ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকে আছেন কি না, চলছে খোঁজ। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ মধ্যমগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন ফ্লাইওভারের নীচে ভয়াবহ আগুন লাগে। স্থানীয়রা জানান, প্রথমে একটি মিষ্টির দোকানে আগুন লাগে। তার পিছনে কাঠগোলা। মিষ্টির দোকানটির পাশে একটি সেলুন, তার পরে আরও একটি ছোট মিষ্টির দোকান। সব থেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে এই দোকানগুলির। তার পরেই রাস্তার উপরে বড় দু’টি খাবারের দোকান। সেগুলিতেও ক্ষয়ক্ষতি হয়। একের পরে এক সিলিন্ডার ব্লাস্ট হতে থাকে। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সিপিএম নেতা অলোক সাহা এ দিন অভিযোগ তোলেন, ‘এই জায়গাটা আগে এ রকম ভিড়ে ঠাসা ছিল না। আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রেখেছিলাম। এর পরে এখানে একের পরে এক দোকান, বেআইনি ভাবে বসতি গড়ে তোলা হয়। এ সবের কারণে মানুষ চলাচল পর্যন্ত করতে পারে না। বার বার পুরসভাকে বললেও কাজ করে না। হয়ত এ ভাবে দোকান বসালে কিছু মানুষের পেট চলে ঠিকই। কিন্তু সার্বিক ভাবে সকলের নিরাপত্তাটা অগ্রাধিকার। সেটা দেখা হচ্ছে না।’
ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী, RAF রয়েছে। আর্থ মুভার এনে দোকান ভাঙার কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে আসেন মন্ত্রী রথীন ঘোষ। তিনি বলেন, ‘আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তবে ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি এসেছে। এখনই আগুন লাগার কারণ জানা সম্ভব নয়।’
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জয় দত্ত জানান, কাঠগোলার ভিতরে আগুন লাগে। এক হাত দূরে তাঁর দোকান। কী ভাবে যে দোকান বেঁচেছে, ঈশ্বর জানেন। আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, নারকেল গাছের সমান আগুন ছড়ায়। তড়িঘড়ি দমকলের ইঞ্জিন চলে আসায় বিপদ অনেকটাই এড়ানো যায়। তবে প্রথমটা মারাত্মক ছিল। হোলির দুপুরের এই ঘটনায় এখনও আতঙ্ক এলাকাবাসীর চোখেমুখে।
দমকলের বারাসত স্টেশন অফিসার শুভজিৎ লোধ জানান, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, বিরাটি থেকে মোট ৫টি ইঞ্জিন আসে। এখনও অবধি একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন তাঁরা। মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। তবে কোনও হোটেলের কর্মচারী বলেই মনে হচ্ছে।