আমেরিকা-ইজ়রায়েল ও ইরানের সংঘাতের (US Israel-Iran Conflict) জেরে পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের আকাশসীমা এই মুহূর্তে বন্ধ বা নিয়ন্ত্রিত। তার প্রভাব পড়ছে উড়ান পরিষেবায়। এখনও পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে ফ্লাইট চলাচল (flight operatons) বন্ধ। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ওই ফ্লাইটগুলির পরিষেবা ‘সাসপেন্ড’ করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। এরই মধ্যে বড় ঘোষণা করল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। বৃহস্পতিবার থেকে জেড্ডা এবং দিল্লি ও মুম্বইয়ের মধ্যে নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু করার কথা জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া।
উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে আটকে গিয়েছেন ভারতীয় যাত্রীরা। দুবাই (Dubai) এবং জেড্ডা (Jeddah) আটকে থাকা যাত্রীদের
ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ বিমান চালু করছে কেন্দ্রীয় সরকার (Indian Government)। এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ইন্ডিগো (Indigo) এবং এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস (Air India Express)-কে।
এরই মধ্যে, বুধবার রাতে জেড্ডা থেকে নিয়মিত বিমান চলাচল (regular flight operations) শুরু করার কথা জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৯ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ার তাদের বেশির ভাগ পরিষেবা ‘সাসপেন্ড’ করা হয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে, বৃহস্পতিবার থেকে AI2255/2256 দিল্লি-জেড্ডা-দিল্লি, এবং AI2251/2252 ও AI2245/2246 মুম্বই-জেড্ডা-মুম্বই ফ্লাইটের স্বাভাবিক এবং নিয়মিত পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে।
এরই সঙ্গে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের টাকা পুরোটাই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হচ্ছে। আগামী ১০ মার্চ পর্যন্ত কেটে রাখা টিকিটের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে যাঁরা বুকিং করেছিলেন তাঁদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া।
ইরানে শুরু হওয়া অশান্তির জেরে পশ্চিম এশিয়ার পাশাপাশি ব্রিটেন এবং ইউরোপের বিভিন্ন ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়া, ব্রিটেন এবং ইউরোপ থেকে আসা এবং যাওয়ার ফ্লাইটের টিকিট বাতিলের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে যাওয়ার দিন বদল করা বা সম্পূর্ণ ফেরতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতির খতিয়ে দেখার পরেই পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশের ফ্লাইটগুলি আবার চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।