• সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ঢাকছে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, বরানগরে তীব্র সমস্যায় পথচারীরা
    বর্তমান | ০৪ মার্চ ২০২৬
  • বিশ্বজিৎ মাইতি, বরানগর: সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ঢাঁকছে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের বিস্তীর্ণ অংশ। বরানগর এলাকায় দক্ষিণেশ্বরগামী লেনের একাংশ বিদ্যুৎবিছিন্ন থাকায় বিপাকে পড়ছেন পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা থাকলেও পুরসভার কোনও হুঁশ নেই বলে অভিযোগ। ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। এমনকি, এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া সার্ভিস রোডের একাংশেও অন্ধকারে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন শহরবাসী। শুধু তাই নয়, রাত বাড়লে নেশাড়ুদের দাপট বাড়ছে বলে অভিযোগ।

    বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই দিকে পথবাতীর দায়িত্বে রয়েছে সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলি। বরানগরের সতীন সেন নগর লাগোয়া এলাকায় বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের প্রচুর পথবাতী খারাপ হয়ে রয়েছে। অথচ, ওইসব পতবাতীতে লাগানো বিজ্ঞাপনের বোর্ডে আলো রয়েছে। কিন্তু পথবাতীর আলো না থাকায় সন্ধ্যা হলেই রাস্তা অন্ধকারে ঢাঁকছে। প্রতিদিন ওই অন্ধকার এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে হাজার হাজার গাড়ি যাতায়াত করছে। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়ছেন বাইক আরোহীরা। সতীন সেন নগর লাগোয়া এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস রোড সরাসরি ডানলপ বাজারে ঢুকছে। এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া রাস্তার একাংশে পথবাতী খারাপ হয়ে রয়েছে। ফলে অন্ধকারে শহরবাসীকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ওই রাস্তা দিয়ে অফিস ফেরত মানুষ ও শহরের বাসিন্দারা বহুরাত পর্যন্ত যাতায়াত করেন। আলো না থাকায় নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন মহিলারা। অফিস যাত্রী তীর্থঙ্কর দাঁ বলেন, রাতে ভয়ে ভয়ে ফিরতে হয়। বড় বড় লরি প্রচন্ড গতিতে যাতায়াত করে। অথচ, রাস্তায় কোনও আলো নেই। এমনকি, সতীন সেন এলাকার পথবাতীও বহুদিন খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। রাত বাড়লে অন্ধকার রাস্তায় নেশাড়ুদের দাপট বাড়ে। কবে পুরসভার হুঁশ ফিরবে কে জানে! পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, মাঝেমধ্যে নেশাড়ুরা তার কেটে নিয়ে পালাচ্ছে। তবে নিয়মিত পথবাতীর রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। দ্রুত সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থাকে দ্রুত সমস্যা মেটানোর কথা বলা হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)