• পরিবর্তন যাত্রায় বাদ দুই বিধানসভা, চর্চা
    আনন্দবাজার | ০৫ মার্চ ২০২৬
  • পূর্ব ঘোষিত বিজেপির বর্ধমান বিভাগের পরিবর্তন যাত্রার সূচনা হবে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে। তবে, সেই যাত্রাপথে দুই বিধানসভা এলাকা নলহাটি ও মুরারই বাদ কেন, তা নিয়ে চর্চা রয়েছে জেলার রাজনীতিতে।

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় দলের বীরভূম সাংগঠনিক জেলার অধীন হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের তারাপীঠ পূর্বসাগর পাড় থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করার কথা দলের রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্যের। উপস্থিত থাকার কথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, প্রদেশ সহ সভাপতি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, তারাপীঠ থেকে শুরু হয়ে দলের পরিবর্তন যাত্রা সিউড়িতে শেষ হবে। ৭৭ কিলোমিটার যাত্রায় হাঁসন সহ রামপুরহাট, ময়ূরেশ্বর, সাঁইথিয়া, সিউড়ি বিধানসভা এলাকা ছুঁয়ে যাবে। সূত্রের খবর, বীরভূমের জেলার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে দু’টি কেন্দ্র বাদ থাকছে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায়। সেই দু’টি কেন্দ্র হল নলহাটি ও মুরারই। এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রই সংখ্যালঘু সম্প্রয়দায়ের ভোটার বেশি। ফলে, ওই দুই কেন্দ্রে পরিবর্তনা যাত্রা না হওয়ায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন তথা রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, ‘‘মানুষের প্রতি ওদের বিশ্বাস নেই। তাই পরিবর্তন যাত্রার কর্মসূচিতে জেলার দুই বিধানসভা এলাকা বাদ দিতে হয়েছে। ওরা আসলে মানুষের জন্য কিছু করে না। উল্টে বিভাজনের রাজনীতি যে ওরাই করে, সেটা ওদের পরিবর্তন যাত্রা থেকে আবার প্রমাণিত হল।’’

    পাল্টা বিজেপির বীরভূম সংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শঙ্কর বলেন, ‘‘পরিবর্তন যাত্রা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে করতে হচ্ছে। যার জন্য সমস্ত জায়গা ছোঁয়া যাচ্ছে না। এটা ঠিক নয় যে, নলহাটি ও মুরারই বিধানসভা এলাকা বাদ দেওয়া হয়েছে। ওখানকার মানুষজনও হাঁসন ও রামপুরহাট বিধানসভা এলাকায় পরিবর্তন যাত্রায় যোগ দেবেন।’’
  • Link to this news (আনন্দবাজার)