• পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে ভাইপো-ভাইঝিকে খুনের অভিযোগ কাকার বিরুদ্ধে
    এই সময় | ০৬ মার্চ ২০২৬
  • ভাই-বোনে মিলে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল, রাস্তাতেই তাঁদের পথ আটকায় কাকা। কিছু বলার আগেই লাঠি দিয়ে লাগাতার পিটিয়ে ভাইপো-ভাইঝিকে খুন করার অভিযোগ উঠল কাকার বিরুদ্ধে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) শেহোরের ধরমপুরী গ্রামে শুধুমাত্র পুরোনো পারিবারিক বিবাদের জেরে ভাইপো-ভাইঝির প্রাণ নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল শীতল (২০) ও কুলদীপ (১৮)। পরীক্ষা ছিল বলে আগেভাগেই বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তাঁরা। কিন্তু পথেই দাঁড়িয়েছিল তাঁদের কাকা হরি সিং মালব্য। মাঝরাস্তাতে দাঁড় করিয়ে, শীতল ও কুলদীপকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ হরির বিরুদ্ধে।

    শীতল ও কুলদীপের পরিবারের তরফে অভিযোগ, পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল ওরা। বাড়ির কিছুটা দূরেই দাঁড়িয়েছিল তাঁদের কাকা হরি সিং মালব্য। শীতল ও কুলদীপকে দেখতে পেয়েই তেড়ে যায় ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করে (Beaten to Death With a Stick)। তার পরে এলাকা ছেড়ে পালায়। তাঁদের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি বার বার লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে শীতল ও কুলদীপের মাথায়। যার ফলে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে যায় দু’জনে। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে ছুটে যায়। যদিও কোনও কিছু করার আগেই সব শেষ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শীতল ও কুলদীপের।

    সেই খবর দ্রুত ছড়িয় পড়ে ধরমপুরী গ্রামে। তারপরেই শুরু হয় বিক্ষোভ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নেতৃত্বে ছিলেন এসডিওপি (SDOP) দামোদর গুপ্ত ও সিদ্দাগঞ্জ থানার ইনচার্জ রাজু সিং বাঘেল। গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই বিষয়ে রাজু সিং বাঘেল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়েছে, প্রমাণ সংগ্রহও করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক, তার খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। শীতল ও কুলদীপের বাবা জগদীশ মালব্য জানিয়েছেন, ‘এটা আচমকা কোনও ঘটনা নয়। পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে আমার দুই সন্তানকে। ও জানতো কখন শীতল ও কুলদীপ পরীক্ষা দিতে যাবে। পারিবারিক বিবাদের জেরে এমন কাজ করেছে সে।’

  • Link to this news (এই সময়)