ভোটের আগে কেঁপে উঠল কলকাতা। ঘটনা পাইকপাড়ার। যতদূর খবর, শনিবার সাতসকালে স্থানীয় একটি ক্লাবে পরপর বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ক্লাবের টিনের চাল উড়ে যায় পাশের বাড়ির ছাদে। আগুন লেগে যায় ওই ক্লাবে। আর ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যায় দমকল। তারা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে।
কেন বিস্ফোরণ?
এই বিষয়টা এখনও পরিষ্কার হয়নি। যদিও এলাকাবাসীর তরফে ক্লাবের ভিতরে বোমা রাখা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে মুখ খুলতে চায়নি পুলিশ বা দমকল, কোনও পক্ষই। তাই ওই ক্লাবে যে বোমাই ছিল, সেই বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে।
যদিও এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে গিয়েছে। আতঙ্কে রয়েছেন বাসীন্দারা। তাঁরা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন পুলিশের কাছে।
হতাহতের খবর নেই
সকাল ৬টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। পরপর বিস্ফোরণ হয়। ক্লাবের টিনের চাল উড়ে যায় পাশের বাড়ির ছাদে। যদিও কোনও হতাহতের খবর নেই। এমনকী কেউ আহত হয়েছে বলেও জানা যায়নি।
পিছনে প্রোমোটিং চক্র?
এলাকাবাসীদের একাংশ অভিযোগ করছেন, এই এলাকায় প্রোমোটারদের দাপাদাপি রয়েছে। তাদের কারও নজর থাকতে পারে এই ক্লাবের উপর। তারাই এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে বারবার দাবি করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীরা চাইছেন যাতে দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এর পিছনে কে বা কারা রয়েছে, তারা কী অভিসন্ধিতে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, সেটা খুঁজে বের করা হোক।
এখানেই শেষ না করা, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিও করা হয়। সেই মতো পুলিশ পিকেট এবং সিসি ক্যামেরা বসানোর কথাও বলা হয়েছে।
কখন পৌঁছে যায় পুলিশ?
ভোট ৬টা ১৫ নাগাদ এলাকাবাসীরা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। তাতেই তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে তাঁরাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন বালতি করে জল দিয়ে। পাশাপাশি ফোন করা হয় পুলিশ এবং দমকলে। তারা খবর পাওয়ার ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে চিৎপুর থানার পুলিশ। পাশাপাশি দমকল আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। যদিও এখনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে খবর।