এই সময়, আরামবাগ: কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে হাওড়ায় রহস্যমৃত্যু তরুণীর। হুগলির তারকেশ্বরে বসেই হোয়াটসঅ্যাপে মৃতের ডেথ সার্টিফিকেট পাঠালেন চিকিৎসক। তরুণীকে না দেখেই, কী ভাবে মৃত্যু নিশ্চিত করে ডেথ সার্টিফিকেট দিলেন চিকিৎসক?
তারকেশ্বরের একটি নার্সিংহোম, ওই চিকিৎসক এবং মৃতের স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তরুণীর আত্মীয়রা। হাওড়া থেকে তারকেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে দেহ এনে আবার ময়নাতদন্তের দাবি তোলেন পরিবারের সদস্যরা। ঘণ্টা চারেক অপেক্ষা করার পরে অবশেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয় দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর নাম পৌলমী চক্রবর্তী (২৪)। বাড়ি হুগলির মশাটে। বছর দুয়েক ধরে হরিপালের জেজুরে বাপের বাড়িতেই থাকছিলেন তিনি। স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তীও থাকছিলেন তাঁর সঙ্গে। পৌলমীর দু'বছরের সন্তানও আছে।
গত ৫ মার্চ শারীরিক অসুস্থতায় তারকেশ্বরের লোকনাথ এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেন তাঁর স্বামী। ৬ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন শুভাশিস। তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় ওই নার্সিংহোম। ওই রাতে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ে শুভাশিস পৌলমীর আত্মীয়দের জানান, হাওড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। হাওড়া থেকেই হরিপাল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় পৌলমীর দেহ। ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ করে মৃতের পরিবার। অভিযোগ পেয়ে ওই নার্সিংহোমে আসে তারকেশ্বর থানার পুলিশ। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি পথে যাওয়ার দাবি করেছে।