• আইপিএস বিনীতকে ধমক জ্ঞানেশ কুমারের
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ১০ মার্চ ২০২৬
  • কমিশন সূত্রে খবর, জেলাশাসক হোক বা পুলিশ কমিশনার, সকলের কাজের ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ রেকর্ড রয়েছে, গাফিলতি ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বৈঠকের পরই জেলাশাসকদের জন্যও আলাদা বৈঠক শুরু হয়।

    সূত্রের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত কয়েকজন কর্মকর্তার ভূমিকায় কমিশন অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে । রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার উপস্থিতিতে জ্ঞানেশ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—‘পদক্ষেপ করুন, না হলে শুধু চা নিয়ে বসে থাকবেন।‘ তিনি উল্লেখ করেছেন, কেউ যদি ভাবেন, কমিশন দুমাস সক্রিয়, তার পরে আর নয়, তা ভুল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলা কর্মকর্তা বলেন, ‘ইচ্ছাকৃত গরমিল বা গাফিলতি প্রমাণ হলে, এমন জায়গায় দাঁড় করাতে হবে, যেখান থেকে ফেরার সুযোগ নেই।‘

    এদিন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আবগারি দপ্তর ও নার্কোটিক্স সংস্থাও কমিশনের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণের মুখে পড়েছে। বিশেষভাবে কলকাতার প্রাক্তন সিপি ও বর্তমান ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীত গোয়েলকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কড়া ধমক দেন। কারণ রাজ্যে ‘নার্কোটিক্স অ্যাডভাইসরি কমিটি’ দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর হয়নি।

    কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, আবগারি দপ্তর মদের উৎপাদন স্বাভাবিকের বেশি না হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে, সীমান্ত এলাকায় উৎপাদন বন্ধ রাখবে। পাশাপাশি অবৈধ অর্থ উদ্ধারে আরবিআই এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যকারিতা নিয়েও কমিশন প্রশ্ন তুলেছে। জ্ঞানেশ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেন্দ্র বা রাজ্য—যদি কেউ গাফিলতি করেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না, পদক্ষেপ অবশ্যই নেওয়া হবে। রাজ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের সতর্ক করা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতেই এই  বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনিক কর্মীদের জন্য স্পষ্ট সতর্কবাণী হিসেবে ধরা হচ্ছে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)