• ভোটের দিন জেলা কন্ট্রোল রুমগুলি থেকে মাইক্রো অবজার্ভারদের নজরদারির জল্পনা! স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিতকরণে যোগ নয়া শর্ত
    বর্তমান | ১০ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এসআইআরের হিয়ারিংয়ে যুক্ত ছিলেন মাইক্রো অবজার্ভাররা। তাঁদের কাজ নিয়ে অনেক জায়গাতেই অভাব অভিযোগ থেকে শুরু করে বিতর্ক—সবই হয়েছে। এবার কি ভোটে তাঁদের দিয়ে নজরদারি চালাবে নির্বাচন কমিশন? এমনই জল্পনা তৈরি হয়েছে। কারণ কিছুদিন আগে কমিশনের সঙ্গে জেলাগুলির এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, জেলা, মহকুমা বা বিধানসভা ভিত্তিক যেসব কন্ট্রোল রুম হয়, সেখানে একজন করে মাইক্রো অবজার্ভার রাখা হতে পারে। তিনি ভোটের দিন সবটা নজরে রাখবেন। প্রতিনিয়ত কমিশনকে রিপোর্ট পাঠাবেন। এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না-হলেও আধিকারিকরা মনে করছেন, একবার যখন আলোচনা হয়েছে তখন কমিশন এই ব্যাপারে কিছু না কিছু করবেই।

    কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, কোনো গোলমাল বা অশান্তির খবর আসছে কি না—সবটাই সংশ্লিষ্ট জেলার সমস্ত কন্ট্রোল রুম থেকে জেনে নেওয়া হয়। আধিকারিকরা প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেন সেখান থেকেই। এসব কন্ট্রোল রুমে সাধারণত জেলার পদস্থ অফিসাররা থাকেন। গোপনীয়তা বজায় রেখে চলে যাবতীয় কাজ। কিন্তু এবার কমিশন সেখানেও নজর রাখার কথা ভাবছে। কোথায় কেমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, কীভাবে সব পরিচালনা হচ্ছে—সবই এই মাইক্রো অবজার্ভারদের চোখ দিয়ে কি দেখতে চাইছে কমিশন? উঠছে প্রশ্ন।

    এদিকে, স্পর্শকাতর বুথ বিবেচনা করার জন্য এবার নতুন একটি শর্ত যোগ করা হয়েছে। সেটা হল, চূড়ান্ত পর্বের ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নাম ওঠার নিরিখে কত বাদ গিয়েছে, তার শতাংশ বের করার পর দেখা হবে কোন বুথে বেশি নাম বাদ গিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিধানসভা আসনে মোট বাদের হার বা তার বেশি যদি কোনো বুথে দেখা যায়, সেক্ষেত্রে সেই বুথকেও স্পর্শকাতর হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। এমনটাই জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে। তবে এই শর্তে কত বুথ এই তালিকায় পড়বে, তার হিসেব কষতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। এমনিতেই, পূর্ববর্তী নির্বাচনে কোথায় গোলমাল বেশি হয়েছিল, কোথায় ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল, পুনর্নির্বাচন হয়েছিল কি না প্রভৃতি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত হয়। তার সঙ্গে এবার যুক্ত হল একটি নতুন শর্তও।
  • Link to this news (বর্তমান)