সমন্বয় রাখতে ওয়াকিটকি ব্যবহার জটেশ্বর হাইস্কুলের শিক্ষকদের
বর্তমান | ১০ মার্চ ২০২৬
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সাধারণত পুলিশ, নিরাপত্তা কর্মী বা বনকর্মীদের হাতেই ওয়াকিটকি দেখা যায়। কিন্তু আলিপুরদুয়ার জেলার কোনো স্কুলের শিক্ষকদের হাতে ওয়াকিটকি দেখা যায়নি। স্কুল পরিচালনার কাজে ও শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে স্কুলের পরিসরে সমন্বয় বা যোগাযোগ রাখতে জটেশ্বর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ এবার ওয়াকিটকি ডিভাইস চালু করল। শিক্ষাদপ্তর স্কুলগুলিতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের উপর কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। সেই কারণে স্কুল পরিচালনায় শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয় চালু রাখতে ওয়াকি-টকি ব্যবহার চালু করা হল বলে স্কুল জানিয়েছে।
এর আগে ছোট বয়স থেকে পড়ুয়াদের মধ্যে জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে মাদারিহাট গার্লস হাইস্কুল স্কুলে ‘ওয়াটার বেল’ চালু করেছিল। আধ ঘণ্টা পর পর পড়ুয়াদের জল খাওয়ার জন্য স্কুলে ওয়াটার বেল বাজে। এবার নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রাখতে জটেশ্বর হাইস্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে চালু করল এই ব্যবস্থা।
স্কুলে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় দুই হাজারের কাছাকাছি। শিক্ষক ৩২ জন। শিক্ষাকর্মী ও গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়ে আরও পাঁচজন কর্মী। জেলার নামী স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম জটেশ্বর হাইস্কুল। বড় স্কুল হওয়ায় স্কুলে হইহই লেগেই থাকে। ফলে স্কুল পরিচালনায় শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রাখা দুষ্কর হয়ে ওঠে।
জটেশ্বর হাইস্কুলের টিআইসি অমিতকুমার দত্ত বলেন, স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে শিক্ষাদপ্তরের কিছু বিধিনিষেধ আছে। সেই বিধিনিষেধ আমাদের মানতেই হয়। তাই স্কুলের পরিসরে স্কুল পরিচালনার কাজে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রাখতে মোবাইল ফোনের বিকল্প হিসাবে ওয়াকি-টকি চালু করা হয়েছে। আপাতত চারটি ওয়াকিটকি কেনা হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে বাকি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্যও ওয়াকিটকি কেনা হবে।