নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: আজ, মঙ্গলবার থেকে চাষিদের থেকে আলু কিনতে শুরু করবে সরকার। কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলি পুরদমে ময়দানে নামছে। সোমবার হিমঘর মালিকদের সঙ্গে কৃষি বিপণন দপ্তরের মন্ত্রী বেচারাম মান্না বৈঠক করেন। সেখানে হিমঘর মালিকরা লোন সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকটি সমস্যার কথা জানান। তবে তাঁরা আলু কিনতে রাজি হয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, চাষিদের পাশে দাঁড়াতেই আমরা এবারও আলু কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মঙ্গলবার থেকেই চাষিরা আলু বিক্রি করতে পারবেন। উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলিতে চাষিরা আলুর দাম পাচ্ছেন না। সেই রাজ্যগুলির সরকার চাষিদের পাশে দাঁড়ায়নি। কিন্তু আমরা নায্য দামে চাষিদের থেকে আলু কিনছি। এছাড়া ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষিরা যাতে হিমঘরে আলু রাখতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
হিমঘর অ্যাসোসিয়াশনের সহ সভাপতি তরুণ ঘোষ বলেন, আলু কেনার জন্য গ্যারেন্টার হয়ে আমাদের ব্যাংক থেকে লোন নিতে হবে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বক্তব্য ছিল। রাজ্য সরকারকে তা জানিয়েছি। সারা দেশে আলুর বাজার খারাপ। শেষ পর্যন্ত কী হবে বোঝা যাচ্ছে না। তবে, কাল থেকে কো-অপারেটিভের পাশাপাশি হিমঘর মালিকরা আলু কিনবে। চাষিদের পাশে আমরা রয়েছি। কৃষকরা বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় সব জেলাতেই আলুর ব্যাপক ফল হয়েছে। ভিনরাজ্যগুলিতেও আলুর ফলন অনেক বেশি হয়েছে। তার ফলে এরাজ্যের আলু বাইরে পাঠানো যাচ্ছে না। ফলন বেশি হওয়ার কারণে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। লাভ তো দূরের কথা, অনেকের চাষের খরচও উঠে আসছে না। সরকার সাড়ে ন’টাকা কেজি দরে আলু না কিনলে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হতো।
কৃষি বিপণন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি কুইন্টাল আলু ৯৫০ টাকায় কেনা হবে। কোল্ড স্টোরেজের মালিকদের মাধ্যমেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। শুধু জ্যোতি আলু সংগ্রহ করা হবে। কৃষি বিপণন দপ্তরের মন্ত্রী বলেন, আলু চাষিদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালু করা হয়েছে।