• বকেয়া DA নিয়ে ‘ধন্দ’, পথে আট বাম সংগঠন
    এই সময় | ১১ মার্চ ২০২৬
  • এই সময়: সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল–কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক–শিক্ষাকর্মী এবং পুরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীদের বাদ রেখে রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ–র হিসেব কষছে বলে অভিযোগ তুলে পথে নামল আটটি বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন। মঙ্গলবার সল্টলেক সিটি সেন্টার থেকে বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল তারা। যদিও অতদূর যেতে দেওয়া হয়নি তাদের। এক প্রতিনিধি দল বিকাশ ভবনে নিজেদের দাবি–সহ স্মারকলিপি জমা দেয়। যদিও এ নিয়ে রাজ্যের তরফে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    সংগঠনগুলির অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও কয়েক লক্ষ শিক্ষক–শিক্ষাকর্মী বকেয়া ডিএ–র ২৫ শতাংশ পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে শীর্ষ কোর্ট যে মনিটরিং কমিটি তৈরি করে দিয়েছে, তাদের সঙ্গে দু’বার বৈঠকে বসেছে রাজ্য। তার পরে প্রাপকদের যে হিসেব স্টেট গভর্নমেন্টের তরফে দেওয়া হয়েছে, তাতে সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল–কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক–শিক্ষাকর্মীদের উল্লেখ নেই। সিপিএম, সিপিআই, আরএসপি, ফরোয়ার্ড ব্লকের অ্যাসোসিয়েশনগুলির দাবি, এ ভাবে বিভেদ তৈরির অপচেষ্টা না চালিয়ে তাদেরও যাবতীয় বকেয়া মেটাতে হবে। শিক্ষক–শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মীদের সপ্তম বেতন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করে বিজ্ঞপ্তিও জারি করতে হবে।

    এবিটিএ–র সাধারণ সম্পাদক সুজিত দাসের বক্তব্য, ‘ডিএ নিয়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের হলফনামায় এবং শুনানিতে বারবার বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী ও স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক–শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে ১০ লক্ষ এমপ্লয়ির জন্য ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। অথচ শীর্ষ কোর্টের রায়ের পরে বকেয়া ডিএ–র হিসেব কষতে গিয়ে স্কুল–কলেজের শিক্ষক–শিক্ষাকর্মীদের বাদ দিচ্ছে! আগে বকেয়া ডিএ–র বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। প্রয়োজনে আমরা ফের কোর্টে যাব।’ এপিজিটিডব্লিউএ–র রাজ্য সম্পাদক চন্দন গরাইয়ের মতে, ‘কর্মচারীদের নানা ভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’ ওয়েবকুটা–র সহ সভাপতি প্রবোধকুমার মিশ্রর দাবি, বাম আমলের পরে তৃণমূল জমানাতেও তাঁরা মহার্ঘভাতা পেয়েছেন। কিন্তু এরিয়ার দেওয়ার হিসেবে বাদ পড়ছেন। পুরসভার কর্মীদের তরফে নিখিল দাস বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে আমাদের আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্যম বিদেশ থেকে ফিরলে এ ব্যাপারে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।'

  • Link to this news (এই সময়)