• গোবরডাঙা রেলবাজারে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই ১১টি দোকান
    বর্তমান | ১১ মার্চ ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মঙ্গলবার সাতসকালে গোবরডাঙা স্টেশনের পাশের বাজারে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। এতে সম্পূর্ণ ছাই হয়েছে ১১টি দোকান। পাশাপাশি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ছ’টি দোকান। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টা পাঁচেকের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। আচমকা এই ধাক্কার মুখে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন গোবরডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান শংকর দত্ত। এলাকায় গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরও।

    জানা গিয়েছে, গোবরডাঙা স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে অনেকদিন ধরেই গজিয়ে উঠেছে রেলবাজার। সেখানে আছে মুদিখানা, হোটেল সহ রকমারি দোকান। মঙ্গলবার সকাল ৬টার সময় রেলবাজারের একটি দোকানে আগুন লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। কিন্তু তাঁদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে একের পর এক দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তখন খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থলে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন। কিন্তু রেলবাজারের সামনের এলাকা অপ্রশস্ত হওয়ায় দমকলের ইঞ্জিন ঢুকতে সমস্যা হয়। এরপর আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হয় দমকলের কর্মীদের। হাবড়া ও গোবরডাঙা থেকে মোট পাঁচটি ইঞ্জিন এসে প্রায় পাঁচঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এই আগুনে রেলবাজারের ১১টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে আরও ছ’টি দোকান। দমকল কর্মীদের প্রাথমিক ধারনা, শর্ট সার্কিট থেকেই এই বিপত্তি। রেল বাজারটি ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের খুব কাছে হওয়ায় আগুনের জন্য রেল চলাচলেও কিছুটা প্রভাব পড়ে। ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ট্রেন চলাচল করানো হয়। তবে ট্রেন ধীরগতিতে চলায় অফিস টাইমে সাময়িক সমস্যার মুখেও পড়তে হয় যাত্রীদের।
    গোবরডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান শংকর দত্ত বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে পুরসভা রয়েছে। তাদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি দপ্তরে জানাব।
  • Link to this news (বর্তমান)