• রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রের নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার, বাড়ছে জল্পনা
    এই সময় | ১২ মার্চ ২০২৬
  • নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রের । বুধবার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) বর্তমান বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্রের নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘটনায় বাড়ছে জল্পনা।

    তবে, সৌমেন মহাপাত্রের (Soumen Mahapatra) নিরাপত্তারক্ষী কেন প্রত্যাহার করা হয়েছে তা জানানো হয়নি পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলা পুলিশের তরফে। এমন কী এই বিষয়ে তাঁকেও কিছু জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে আমাকে এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন তুলে নেওয়া হল জানি না। বিষয়টি দলকে জানিয়েছি।’ নিজেকে ‘দলের অনুগত সৈনিক’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহারের বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিস্তারিত জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, একাধিক বার তাঁর বিধানসভা ক্ষেত্র পরিবর্তন হয়েছে। গত নির্বাচনে তমলুক থেকে জেতার আগে সৌমেন মহাপাত্র ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Midnapore) পিংলার বিধায়ক। জল সম্পদ দপ্তর ছাড়াও একাধিক দপ্তর সামলেছেন তিনি।  তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) জন্মলগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে রয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। সূত্রের খবর, গত প্রায় এক বছর ধরে দলের থেকে দূরত্ব সৃষ্টি হয় তাঁর। সৌমেন মহাপাত্রকে মন্ত্রীত্ব, জেলা সভাপতি-সহ একাধিকপদ থেকে দল সরিয়ে দেয়। এই নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর মনোমালিন্য হয়। এখন শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি প্রায় গৃহবন্দি।

    তিনি থাকেন পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় (Panskura)। সেখানেই নিরাপত্তায় ছিলেন ছ'জন পুলিশকর্মী। তাঁর বাড়ির নিরাপত্তায় থাকা ৬ পুলিশকর্মীকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে । যদিও তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন তিন জন পুলিশকর্মী। কিন্তু ভোটের মুখে কেন তাঁর নিরাপত্তা কমানো হলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে সৌমেন মহাপাত্রের নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়ায় জোর জল্পনা শুরু হয়েছে জেলা রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। চলতি বছরের নির্বাচনে তাঁদের প্রার্থী করা হবে কী না তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

  • Link to this news (এই সময়)