যদিও বৃহস্পতিবারেও আবার বৈঠকে বসার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ডিলার ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। কীভাবে বিকল্প ব্যবস্থা করা যায় এবং সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও প্রয়োজনে মানুষকে সাহায্য করার কথা ভাবছে সরকার।
তিনি বলেন, ‘আমি ভর্তুকি দিতে চাই। কিন্তু শুধু টাকা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ বাজারে গ্যাসের জোগানই যদি কম থাকে, তা হলে ভর্তুকি দিয়েও লাভ হবে না। তাই বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ভাবতে হবে।’ তাঁর মতে, গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে। তাই এই সমস্যার মূল সমাধানও কেন্দ্রকেই করতে হবে। তাঁর কথায়, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক যদি দ্রুত পদক্ষেপ না করে, তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
গ্যাস সঙ্কটের প্রভাব ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়তে শুরু করেছে। রাজ্যের একাধিক অটো রুটে ভাড়া বেড়েছে। একই সঙ্গে ছোট রেস্তরাঁ এবং খাবারের দোকানগুলিতেও খাবারের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এমনকি অনেক রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা ভাড়া বা খাবারের দাম বাড়িয়েছেন, তাঁদের যুক্তি কিছুটা হলেও রয়েছে।