বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত, ভবিষ্যতে যাবে আরও
এই সময় | ১২ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই ভারত থেকে বাংলাদেশে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এই ডিজেল আজ বাংলাদেশে পৌঁছবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মহম্মদ রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, পার্বতীপুর সীমান্ত দিয়ে এই ডিজেল বাংলাদেশে ঢুকবে। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি বছর বাংলাদেশে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করবে ভারত। বর্তমানে যে ৫,০০০ টন ডিজেল আসছে তা ওই চুক্তিরই অংশ।
বিপিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে ভারত থেকে অন্তত ৯০ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে আমদানি করতে হবে। আজ যে চালানটি আসছে তা ৫,০০০ টনের। আশা করা হচ্ছে, আগামী দু’মাসের মধ্যে ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত মোট ডিজেলের পরিমাণ বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে।’
এর আগে রবিবার বাংলাদেশে জ্বালানির মজুত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সে দেশের জ্বালানি মন্ত্রক। জ্বালানি মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সংকটের পরিস্থিতিতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই গাড়ির ধরন অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করেছে। তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক পেট্রল পাম্পে সরকার নির্ধারিত সীমার বেশি জ্বালানি বিক্রি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মজুত রেখে বেশি লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি খোলা বাজারে বিক্রি ও চোরাচালানের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধ মজুত, নির্ধারিত সীমার বেশি বিক্রি এবং অন্য অনিয়ম ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালানো হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন পেট্রল পাম্পেও অভিযান চালানো হয়।