• গ্যাসের সঙ্কটের জেরে বিক্রি ও দাম দুটোই বাড়ছে ইন্ডাকশনের
    এই সময় | ১২ মার্চ ২০২৬
  • এই সময়, আসানসোল: খালি এলপিজি সিলিন্ডার (LPG Cylinder) নিয়ে সকাল থেকে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে লাইন দিয়েও লাভ হয়নি। তবে খালি হাতে বাড়ি ফেরেননি আসানসোলের আপকার গার্ডেনের বাসিন্দা কৌশিক ধর। গ্যাসের দোকান থেকে বেরিয়ে সোজা চলে গিয়েছিলেন ইন্ডাকশন কুকটপ কিনতে। সেই বৈদ্যুতিক কুকার বগলদাবা করে বললেন, ‘২৫ দিনের আগে গ্যাস পাবো না। ততদিন ইন্ডাকশন কিনে কাজ চালাব।’

    এলপিজি এজেন্সিদের দাবি, রাতারাতি গ্যাস সিলিন্ডারের বুকিং চার গুণ বেড়েছে। সকাল হতেই খালি সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে দোকানের সামনে লম্বা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন মানুষ। যুদ্ধের আবহে এই সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে অনেকেই কিনছেন ইন্ডাকশন কুকটপ, ইলেকট্রিক কুকিং হিটার, রাইস কুকারের (Induction cooktop, Electric Cooking Heater, Rice cooker) মতো বৈদ্যুতিক সামগ্রী। যেমন ইস্কোর কর্মী চন্দন মিশ্র। কয়েকদিন আগেই বাজার থেকে কিনে এনেছেন ইলেকট্রিক কুকিং হিটার। ইস্কো আবাসনের বাসিন্দা চন্দন জানালেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না–হওয়া পর্যন্ত হিটারেই কাজ চালিয়ে নেবেন।

    বুধবার আসানসোল, বার্নপুর, বরাকর সমেত বিস্তীর্ণ এলাকায় খোঁজ করে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে ইন্ডাকশন কুকটপ ও ইলেকট্রিক কুকিং হিটারের বিক্রি বেড়েছে। বার্নপুরের ব্যবসায়ী মানস সেনগুপ্ত বলেন, ‘চাহিদা বুঝে কোম্পানিকে অর্ডার দিতেই জানলাম, দাম বাড়ানো হয়েছে। কম করে পাঁচ শতাংশ দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছি।’ বরাকরের ব্যবসায়ী দীপক কর জানালেন, ইন্ডাকশনে রান্না করার উপযোগী বাসন বিক্রিও বেড়েছে।

    তবে স্বস্তিতে রয়েছেন পরিবেশবান্ধব কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের (সিএনজি) (CNG) অটোচালকরা। আসানসোল, রানিগঞ্জ খনি অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনের একাধিক প্লান্ট রয়েছে। সাড়ে ৯২ টাকা কেজি দরে সহজেই সিএনজি মিলছে বলে জানাচ্ছেন অটোচালকরা।

  • Link to this news (এই সময়)