ফাল্গুনের সন্ধ্যায় হঠাৎ আকাশে মেঘের ঘনঘটা। শহরতলি, নিউ টাউন, উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। স্কুল-কলেজ বা অফিস ফেরত অনেককেই ছাতা বা বর্ষাতি না থাকার কারণে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। অঝোরে বৃষ্টি হওয়ার কারণে কিছু জায়গায় যান চলাচলও কিছুটা বিঘ্নিত হয়। তবে ছাতা বা বর্ষাতি এ বার কি রোজ ব্যাগে করে নিয়ে বের হতে হবে? কী বলছে হাওয়া অফিস?
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ-ছয় দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের জেলাগুলিতে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার বৃষ্টি হবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি। সেই সঙ্গে থাকবে দমকা হাওয়া। প্রধানত ১২ মার্চ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত এই আবহাওয়া চলবে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দিনের তাপমাত্রা কমবে বৃষ্টিপাতের জন্য।
দক্ষিণবঙ্গের জন্য আগামী ২৪ ঘণ্টায় দু’-এক জায়গায় সামান্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম,মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে খুব হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায়। ১৪ তারিখে বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে।
কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম। তবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৫ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাটা বেশি রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হবে। সেই সঙ্গে থাকবে দমকা হাওয়া। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে থাকবে ৩০ থেকে ৩২ ডিগ্রির কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রি দিয়ে ২৫ ডিগ্রির কাছাকাছি।
বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্পের প্রবেশ করছে। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের কাছাকাছি একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও রয়েছে।