পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে ভারতে দেখা গিয়েছে গ্যাসের সঙ্কট। বাড়ির রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস, সবেতেই টান পড়েছে বলে অভিযোগ। তার জেরে প্রভাব পড়েছে মন্দিরগুলিতেও। বাগবাজারে মায়ের বাড়ি, নৈহাটির বড়মার মন্দির থেকে শুরু করে একাধিক মন্দিরে ভোগ প্রসাদের রান্নায় সমস্যা হচ্ছে। ভোগের পরিমাণ কমানোর কথা বলেছে দিঘা জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষও। এ বার এই সমস্যার কথা বলছেন তারাপীঠ মন্দির কর্তৃপক্ষও।
এই সময় অনলাইনকে তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘মা তারার ভোগ কাঠের জ্বালানিতে রান্না হলেও, প্রতিদিন পুণ্যার্থীদের জন্য যে ভান্ডারা হয় তা রান্না করা হয় গ্যাস ব্যবহার করেই। প্রতিদিন অন্তত ৫০০ লোকের জন্য রান্না করা হয় এই ভান্ডারাতে।’ এছাড়াও তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত ছিল আগে থেকেই পর্যাপ্ত জ্বালানির ব্যবস্থা রাখা। এর জন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের আনাগোনায় প্রভাব পড়ছে। তারাপীঠের বেশ কিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁও জ্বালানির অভাবে বন্ধ।’
তারাপীঠ হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, ‘তারাপীঠে ৩৫০-এর বেশি হোটেল রয়েছে। অধিকাংশ হোটেলেই খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু এখন গ্যাস সিলিন্ডারের অভাবে এবং সিলিন্ডারের কালোবাজারির কারণে প্রায় ২০% হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে হয়তো আরও বন্ধ হয়ে যাবে।’