প্রধানমন্ত্রীর সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ময়দানে শুরু হয়েছে জোর প্রস্তুতি। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও করা হয়েছে অত্যন্ত কড়া। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সভাস্থলের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় রাখা হয়েছে।
সভাস্থলের আকাশপথে নজরদারি জোরদার করতে ওই এলাকায় ‘নো ফ্লাই জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ওই এলাকায় কোনও ধরনের ড্রোন বা উড়ন্ত যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। নিরাপত্তা রক্ষায় ময়দানের আশপাশের বহুতল ভবনগুলিতেও বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। সেখান থেকে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখবেন নিরাপত্তাকর্মীরা।
জানা গিয়েছে, সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং বিশেষ নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা থাকবেন। পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থার তত্ত্বাবধানে থাকবেন অতিরিক্ত পুলিশ মহানির্দেশক পদমর্যাদার আধিকারিকরা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ব্রিগেডে যান ভারতীয় জনতা পার্টির একাধিক শীর্ষ নেতা। মঞ্চ নির্মাণ, দর্শকাসনের ব্যবস্থা, নিরাপত্তা বলয়— সব দিকই তারা পর্যবেক্ষণ করেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। তাই কর্মীসমর্থকদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।